মুন্সীগঞ্জে রাস্তায় ধানের চারা রোপনের ছবি ভাইরাল

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

মুন্সীগঞ্জে রাস্তায় ধানের চারা রোপনের ছবি ভাইরাল

  • মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৯ জুন, ২০২১

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে একটি রাস্তা কার্পেটিং করার জন্য খুঁড়ে রাখা হয়েছে। রাস্তা খুঁড়ে রাখার পর ওই রাস্তার দুপাশে মাটি দিয়ে বাধ নির্মাণ করে রাখা হয়েছে রাস্তার মধ্যে বালু ইটের সুড়কি ফেলানোর জন্য। এতে চলমান বৃষ্টিতে ওই রাস্তার মধ্যে অনেক স্থানে প্রায় হাটু পর্যন্ত পানি জমেছে।

বেশ কিছুদিনের বৃষ্টিতে পানি জমে থাকা রাস্তাটিতে কাঁদা স্তর দিন দিন ভারি হচ্ছে। আর ওই কাদার মধ্যে ধানের চারা রোপনের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। আজ শনিবার ধানের চারা রোপনের ছবিগুলো ফেসবুকে আপলোড করা হলে তা ভাইরাল হয়ে পরে।

জানা গেছ, উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের পরিষদ ভবনের সামনে হতে টঙ্গিবাড়ী কামারখাড়া সংযোগ সড়কের পাতাইল্লা ব্রীজে সংযুক্ত হওয়া এই সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ২ মাস যাবৎ খুড়ে রেখেছে ঠিকাদার। উপজেলার নসংকর, আদাবাড়ী, বাইনখাড়া,ভাঙ্গনিয়া, ভিটি মালধা গ্রাম ও তার আশেপাশের গ্রামের কয়েক হাজার লোক এ রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন আগে রাস্তাটিতে কাজ শুরু করে ইট বিছানো রাস্তাটি খুড়ে রেখেছে ঠিকাদার। কাজ শেষতো দূরের কথা তাকে এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এলাকাবাসী আরো জানান, কোন এক দলিল লেখক রাস্তাটির কাজ করার ঠিকাদারী নিয়েছেন। ওই ঠিকাদারের কারণে আমদের বাড়ি হতে পায়ে হেটে বের হতেও দূর্ভোগে পরতে হচ্ছে।

জুয়েল দেওয়ান নামের একজন তার ফেসবুক পেজে লিখেন,মাননীয় সংসদ সদস্য

সাগুফতা ইয়াসমীন এমেলি আপা ও উপজেলা চেয়ারম্যান ভূতু হাওলাদার সাহেব এর দৃষ্টি আর্কষণ করছি, এটি কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার রাস্তা নসংকর, আদাবাড়ী, বানীখাড়া, আরো অনেক গুলো গ্রামের মানুষের চলাচলে অতি জরুরি প্রয়োজন এ রাস্তাটি। রমজানের ঈদের আগে এই রাস্তার কাজ ধরেছেন ঠিকাদার, এখনও পর্যন্ত কাজটি সম্পূর্ণ হচ্ছে না কেন? আপনাদের কাছে আকুল আবেদন কার্যকারী মূলক পদক্ষেপ নিন যেন এই কাজটি তারাতারি শেষ হয়।"

মো. আমির নামের আরেকজন তার ফেসবুক পেজে লিখেন,যিনি এই কাজের ঠিকাদার ওনি নাকি দলিল লিখক আমি মনে করি ওনাকে দলিল লিখকই মানায় ঠিকাদার নয়। "

এ ব্যাপারে আদাবাড়ি গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, ইট বিছানো রাস্তাটি খুড়ে দু-ধারে মাটি দিয়ে বাধ নির্মাণ করে গেছে ঠিকাদার। বৃষ্টিতে রাস্তার মধ্যে দু ধারে বাধের কারনে হাটু পানি। যানবাহন চলাচল ও রাস্তায় এখোন কিছুতেই সম্ভব নয়। পায়ে হেটে যেতেও কষ্ট হচ্ছে মানুষের।

এ বিষয়ে কামারখাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হালদার জানান, দুই কিলোমিটার রাস্তাটি আরো এক বছর আগে টেন্ডার হয়। রাস্তাটি দির্ঘদিন যাবৎ খুড়ে রাখলেও কোন কাজ করছেনা ঠিকাদার। আমি দির্ঘদিন এ ব্যাপারে এলজিআরডি অফিসে যোগাযোগ করলেও ঠিকাদার কাজটি শুরু করছেন না।

এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এর আগেও এই ঠিকাদারের অনেকগুলো কাজ বাতিল করেছি আমরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ঠিকাদার তার কাজ শেষ না করলে তার কাজ বাতিলের সুপারিশ করবো আমরা। যে কোন উপায়ে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য যা করনিয় সব ধরনের ব্যাবস্থা আমরা নেব।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads