সারা দেশ

মেঘনা নদীতে বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ শ্রমিক উদ্ধার হয়নি এখনো

  • মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

মুন্সীগঞ্জের নিকটে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও বালুবাহী বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ শ্রমিককে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এদিকে ডুবে যাওয়া বাল্কহেড উদ্ধারের কাজ চলছে। নিখোঁজ শ্রমিকের নাম মোতালেব বলে নিশ্চিত করেছে কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি। সে ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা।

কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) মো. ইলিয়াছ আজ বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে বলেন এমবি সুরুভি-৭ নামে একটি লঞ্চ ঢাকা থেকে যাত্রীবোঝাই করে বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। চাঁদপুর থেকে ভালু বোঝাই করে একটি বাল্কহেড নারায়ণগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। রাত ১১ টার দিকে বাল্কহেডটি মেঘনা নদীর সোনারগাঁওয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় আসলে লঞ্চটি  বাল্কহেডের উপরে উঠিয়ে দেয় চালক। এতে ছয় জন শ্রমিক নিয়ে বাল্কহেডটি পানিতে ডুবে যায়। সেখান থেকে ৫ জন শ্রমিক সাতরে উঠতে পারলেও একজন নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ শ্রমিকের নাম মোতালেব হোসেন। তার বাড়ি ভোলা জেলার দোলার হাট উপজেলায়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, সুরভী সাত লঞ্চের সামনের অংশের কাঁচ ফেটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে লঞ্চটির তেমন বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চে থাকা যাত্রীদের কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চ এ উঠিয়ে দিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চটিকে নিরাপদে তীরে ভেড়ানো হয়েছে। ডুবে যাওয়া বলগেট উদ্ধার কাজ এবং নিখোঁজ শ্রমিকের সন্ধান চলছে।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, লঞ্চ বাল্কহেডকে সজোরে ধাক্কা দেয়। নদীর মধ্যখানে যাত্রীদের ডাকচিৎকার শুনতে পাই। নদীর তীরে এসে শুনি একটি বাল্কহেড নদীতে ডুবেগেছে। তবে লঞ্চের যাত্রীরা সবাই নিরাপদে আছেন। স্থানীয়রা আক্ষেপের সাথে বলেন, রাতের বেলায় বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এরপরেও পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে চলছিলো।লঞ্চ ডুবে গেলে হয়তো বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারত। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রাতের সময় বাল্কহেড চলাচলের নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও পুলিশের টহল এড়িয়ে কিভাবে চলে,এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন,আমাদের টহল চলমান আছে। আমাদের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে দু একটা চলে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads