যমুনায় নৌ-চলাচল বিঘ্নিত

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

যমুনায় নৌ-চলাচল বিঘ্নিত

  • গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পেয়েছে। জেলার সাঘাটায় নৌ-ঘাটের প্রবেশ পথে বালিচর জেগে উঠায় পাঁচটি নৌ-ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। একটি সচল থাকলেও নৌ-চলাচলের চ্যানেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নৌ- ঘাটে নৌকা ভিড়তে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে মাঝিদের।

জানা গেছে, বছরের পৌষ-চৈত্র মাস শুষ্ক মৌসুম এলেই যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পায়। তার ওপর এবছর গাইবান্ধার সাঘাটায় নৌ-ঘাটগুলোর প্রবেশপথে বালিচর জেগে উঠেছে। উপজেলার পাঁচটি নৌ-ঘাট ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। সাঘাটা সদর ঘাটটি সচল থাকলেও নৌ- চলাচলের চ্যানেল বন্ধ হয়ে নৌকা ঘাটে ভিড়তে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এ কারণে হলদিয়া ইউনিয়নের দিঘলকান্দি, পাতিলবাড়ী, জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও গুটালসহ বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষের চলাচল এবং এলাকায় উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন হলো নৌকা। প্রবেশপথে বালিচর জেগে নৌ-চ্যানেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে চরাঞ্চলের এসব মানুষ তাদের উৎপাদিত আলু, মরিচ, বাদাম, সরিষাসহ বিভিন্ন ফসল বাজারে বিক্রয়ের জন্য আনা-নেওয়া করতে পারছেন না। এছাড়া মুমূর্ষু রোগীর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন দেখা দিলে বালিচরের ওপর দিয়ে হেঁটে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা শহরের হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হচ্ছে। চরাঞ্চলবাসীর দাবি, জেগে উঠা বালিচর খনন করে বালি অপসারণ করে নৌ-চলাচল পথ সচল করা। এতে দুর্ভোগ লাঘব হবে চরাঞ্চলবাসীর।

সাঘাটা নৌ-ঘাটের ইজারাদার ওবায়দুল্যাহ জানান, সরকারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়ে ঘাট লিজ নিয়েছি। কিন্তু বালিচর জেগে উঠে নৌ-চ্যানেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নৌকা চলাচলও বন্ধ ফলে আমি ও আমার লোকজন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড নিবাহী প্রকৌশলী বলেন, ড্রেজিং বিষয়টা আমাদের নয়। নদীতে নাব্যতা না থাকার কারণে নৌ-চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের আওতায় কেন্দ্রীয়ভাবে সমীক্ষা কাজ চলছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads