রাজাকারের সন্তানেরা ভবিষ্যতে সরকারি চাকরি পাবে না বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক। আজ শুক্রবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরের মার্কাস রোড সাহাপাড়া এলাকায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ডায়াবেটিক হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না। পরাজিত শক্তিরা আজকে দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিভিন্নভাবে ছোবল মারছে।
তিনি আরো বলেন, রাজাকারের তালিকা তৈরির আইন পার্লামেন্টে জমা দেওয়া আছে। পরবর্তী অধিবেশনে পাস হলেই রাজাকারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হবে।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আজ গাজীপুরবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে আজ আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ ডায়বেটিক হাসপাতালের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করতে পারছি। তিনি (শেখ হাসিনা) আমাদের মাত্র এক লাখ এক টাকায় ৫০ শতাংশ জমি দিয়েছেন। আর হাসপাতালটি নির্মাণের জন্য দিয়েছেন ২২ কোটি টাকা। আমরা তার প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
রাসেল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কারণেই গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে উন্নীত করে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক স্বয়ংসম্পূর্ণ হাসপাতালে পরিণত করা সম্ভব হয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এখানে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করে দিয়েছেন। টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে উন্নীত করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রুপান্তরিত করেছেন। এ কারণে,গাজীপুরের মানুষ একদিকে যেমন উন্নত চিকিৎসা সেবার সুযোগ পাচ্ছেন, অন্যদিকে তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নীত হচ্ছে।
কাজী আলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান প্রমুখ। গাজীপুর জেলা ডায়বেটিক সমিতির উদ্যোগে ৫০ শয্যার ৬তলা বিশিষ্ট হাসপাতালটির ব্যয় ধরা হয়েছে ২২ কোটি টাকা।





