লক্ষ্মীপুরে চলন্ত একটি পিকআপ গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চার জন নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ১৪ জন আহত হয়। নিহত ও আহতরা নির্মাণ শ্রমিক বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা-রায়পুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিস ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায়। এর মধ্যে ৪ জন নিহত হন।
নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার সমসেরাবাদ গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে মো. খোরশেদ (৩৫), টুমচর এলাকার শহিদুল হক পাটওয়ারীর ছেলে মো. রফিক (৫৫), আবিরনগরের মজিবুল হকের ছেলে মফিজ উল্যাহ (৫০) ও আবদুল মান্নানের ছেলে আবদুল নূর। তাদের মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
আহতদের সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে সৈয়দ আহমদ, আবদুন নুর, বাবুল, নজির, আবুল বাসার, রবিন, ইয়াছিন ও আবুল হোসেনের নাম জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একটি ছোট পিকআপে চড়ে নির্মাণ শ্রমিকরা কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি লক্ষ্মীপুর থেকে ছেড়ে চন্দ্রগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। ঢাকা-রায়পুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এলাকায় পৌঁছলে গাড়িটি একটি চাকা ফেটে যায়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। লক্ষ্মীপুর আইডিয়াল আলিম মাদ্রাসার সিসিটিভি ফুটেজে গাড়িটি খাদে পড়ে যাওয়ার দৃশ্যটি দেখা যায়।
লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ওয়াছি আজাদ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। চাকা ফেটে যাওয়ায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি জলাবদ্ধ খাদে পড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জনের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আহত অন্যান্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।





