বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ছয়টি ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের এ যৌথ অভিযানে আদায় করা হয়েছে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অনুমতি না নিয়ে পাহাড় কেটে,লাকড়ি জ্বেলে এবং ছড়াখালের পানি দূষিত করে ২৮ ভাটা চলছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. দাউদুল ইসলাম।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সকাল থেকে প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বদিউল আলমের সার্বিক তত্ত্ববধানে র্যাব-১৫, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় অভিযানে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন, নির্বাহী মেজিস্ট্রেট মো. কায়েসুর রহমান, নির্বাহী মেজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হাসান, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট একেএম ছামিউল আলম কোরেসি, পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবানের পরিদর্শক আব্দুস সালাম,কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত সুপার বিমান চন্দ্র কর্মকার, ফাইতং ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম ও বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী।
ফাইভ বিএম ইটভাটাকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, এমএমবি ইটভাটাকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, এনএসবি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা,এসবিডাব্লিউ ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা, এফএসি ইটভাটাকে ৪ লাখ টাকা ও কেবিসি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকাসহ মোট ১৮ লাখ টাকা জরিমানা আদায়সহ ইট ও ইটভাটার চুল্লি পানি দিয়ে ধ্বংস করেন প্রশাসন।
অভিযান শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের বনাঞ্চলে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অনুমতি না নিয়ে পাহাড়কেটে,লাকড়ি জ্বেলে এবং ছড়াখালের পানি দূষিত করে ইট ভাটাগুলো চলছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও জেলা মেজিস্ট্রেট মো. দাউদুল ইসলাম।





