লালমনিরহাটে পুর্ণিমা রায় (২৬) নামে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের মধুরাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার বিকালে সদর থানায় চন্দন নামে এক যুবককে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে।
স্বজনরা জানান, গত সোমবার স্বামী দুপুরে কাজের জন্য বাহিরে থাকার সুযোগে প্রতিবেশি শ্রী জগদীশ চন্দ্রের ছেলে চন্দন রায় ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক গৃহবধুকে ধর্ষণ করে। এ সময় বাধা দিলে চন্দন গৃহবধুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে নখের আঁচড় ও খামচে রক্তাক্ত জখম এবং মারধর করে। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে বিকেলে গৃহবধূর ননদ ঘরে ঢুকে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখে আত্মীয়-স্বজনদের সহযোগীতায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এদিকে ক্ষমতাশালী ধর্ষক চন্দনের পরিবার ধর্ষণের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। গত সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত মিমাংসার চেষ্টা করে তারা ব্যর্থ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দিলে ধর্ষিতা গৃহবধূকে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে মঙ্গলবার বিকালে গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মঞ্জুরুল মোরশেদ দোলন জানান, ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি জানা যাবে। বর্তমানে ওই গৃহবধূ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি শাহা আলম জানান, খবর পেয়েই ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধূর জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান তিনি।





