শহররক্ষা বাঁধের ওপর সড়ক বদলে দেবে কক্সবাজার

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

শহররক্ষা বাঁধের ওপর সড়ক বদলে দেবে কক্সবাজার

  • মাহাবুবুর রহমান, কক্সবাজার
  • প্রকাশিত ৪ ডিসেম্বর, ২০২১

শহর রক্ষাবাঁধের ওপর সড়ক নির্মাণকাজ এগিয়ে চলেছে। কক্সবাজার পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় এডিবির অর্থায়নে ইউজিএফ-৩ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫ কোটি টাকার ব্যায়ে এই সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হলে শহরের বাইরে থেকেই বিভিন্ন যানবাহন অনায়াসে খুরুশকুল ব্রিজ সংলগ্ন সড়ক হয়ে শহরে আসা যাওয়া করতে পারবে। এতে সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, আগামী মার্চ মাসের মধ্যে মাঝিরঘাট হতে কস্তুরাঘাট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ শেষ হবে।

সরজমিনে দেখা গেছে, শহরের পেশকার পাড়া, টেকপাড়া মাঝির ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় বাকঁখালী নদীর পাশ দিয়ে মেঠো পথে এখন নালা নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন জায়গায় মাটি ভরাটের কাজ চলছে। সেখানে কর্মরত আনোয়ার নামে এক সাইড প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কক্সবাজার পৌরসভার হয়ে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে তিনি এই কাজের তদারকি করছেন। তবে মূল কাজ করছে কক্সবাজার পৌরসভা। তিনি জানান, শহরের মাঝিরঘাট থেকে কস্তুরাঘাট পর্যন্ত এই সড়ক র্নিমাণের জন্য ইতোমধ্যে সীমানা নির্ধারণ থেকে শুরু করে সড়কে নালা নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে, এখন বিভিন্ন স্থানে মাটি ভরাটে কাজ চলছে, এরপরে ঢালাই কাজ চলবে।

কক্সবাজার পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী টিটন দাশ বলেন, এশিয়ান ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ইউজিএফ-৩ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার পৌরসভার ব্যবস্থাপনায়, বাঁকখালী নদীর পাশ ঘেঁষে বয়ে যাওয়া শহর রক্ষাবাঁধের ওপর আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজ চলছে। দুই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের প্রায় কাজ শেষ পর্যায়ে। প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কাজ আশা করা হচ্ছে ২০২২ সালের মার্চ মাসের মধ্যে শেষ হতে পারে।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, বর্তমানে পুরো পৌর শহরে উন্নয়ন কাজ চলছে, যদি কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সব কাজ শেষ হলে আগামী ২০ বছর কক্সবাজারের উন্নয়নের কাউকে হাত দিতে হবে না। সাধারণ মানুষ সস্তি পাবে। আর শহর রক্ষাবাঁধের ওপর যে সড়ক নির্মাণ হচ্ছে, সেটা আমার একটি বড় স্বপ্ন। এই সড়ক নির্মাণ হয়ে গেলে শুধু পৌরসভার মানুষ নয় পার্শবর্তী কয়েক ইউনিয়নের মানুষ অনায়াসে শহরে প্রবেশ এবং বের হতে পারবে। খুবই কম সময়ে মানুষ নির্ধারিত গন্তব্যে চলে যেতে পারবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads