শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: আপিলের রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি

সংগৃহীত ছবি

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: আপিলের রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা পেতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা মামলার আপিলের রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

আজ সোমবার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামমিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের হাইকোর্টের বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।এ সময় হাইকোর্ট বলেছেন, রায়টি বাংলায় ঘোষণা করা হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে চূড়ান্ত শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ। পলাতক আসামিদেরপ পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ আহসান, মো. নাসির উদ্দিন এবং এসএম শাহজাহান।

এর আগে, ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল।

একই মামলায় একজনের যাবজ্জীবন ও তিনজনের ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড পাওয়া তিনজনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দিয়েছেন আদালত। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলায় খালাস পেয়েছিলেন ১০ জন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম আকতার, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম, ইউসুফ ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বক্কর, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই ও মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর।

এছাড়া মেহেদি হাসান ওরফে আবদুল ওয়াদুদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। আনিসুল ওরফে আনিস, মো. মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান এবং সরোয়ার হোসেন মিয়াকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেয়া হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন মামলা করেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads