সারা দেশ

শ্রমিক লীগ নেতার ইন্ধনে আ.লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা, আহত-৫

  • ''
  • প্রকাশিত ৮ অগাস্ট, ২০২৪

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যক্তিগত শত্রুতা কাজে লাগিয়ে শ্রমিক লীগ নেতার ইন্ধনে আওয়ামী লীগের ১৬ নেতা-কর্মীর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার সকালে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নুনেরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়নের চরাঞ্চল নুনেরটেক এলাকার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে যান। এ সুযোগে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ হামলা চালায়। ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় শ্রমিক লীগ নেতা শুকুর আল মাহমুদের ইন্ধন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতারা। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলে ফোন রিসিভ করেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নুনেরটেক গ্রামে গত বুধবার সকালে ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. জিলানী মিয়ার নেতৃত্বে মোস্তফা, সোহাগ, মনির হোসেন, সামসুদ্দিন, রফিক, গুলবক্স, বাউল চাঁনসহ ৫০-৬০ জনের একটি দল ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য ওসমান গণি, আবুল হাসেম, মনির হোসেন, স্বপন মিয়া, নজরুল ইসলাম, মাহমুদ, আমজাদ হোসেন, মনিরুল ইসলাম মনির, খলিল মিয়া, জাকারিয়া ভূইয়া, মিজানুর রহমানের ১৬টি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট করে। এসময় আহত হয় ইউপি সদস্য ওসমান গনির স্ত্রী, আবুল হাসেমের মা ও বোন ইয়াসমিন সহ ৫ জন আহত হয়। হামলার সময় বাড়ির নারী ও শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করে।

ভুক্তভোগী ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য ওসমান গণি বলেন, শ্রমিক লীগ নেতার সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্ধ কাজে লাগিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের দিয়ে তাদের বাড়িঘর হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে আমাদের ওপর হামলা করতে পারেনি।

আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসেম বলেন, 'রাজনৈতিকভাবে আমরা সহাবস্থানে ছিলাম। তবে নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শুক্কুর আল মাহমুদের সঙ্গে শত্রুতার কারণে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ইন্ধন দিয়ে বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর, লুটপাট করে। তার অফিস থেকে ৬ লাখ টাকা লুট করেছে বলে অভিযোগ তোলেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শুক্কুর আল মাহমুদ হামলা ভাঙচুরের ইন্ধনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় তার ইন্ধন নেই। আমিও আওয়ামী লীগ করি। আমার চাচা ও ফুফা বিএনপি করে তাই আমার বাড়িঘরে হামলা করেনি।

অভিযুক্ত বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির ও সাবেক ইউপি সদস্য জিলানী বলেন, 'এ হামলার সঙ্গে আমরা জড়িত না। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকে কয়েকজন যুবক এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুনেছি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads