হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সেনাবাহিনী ও র্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে১৩ রাউন্ড রকেট প্রোপেলড গ্রেনেড (আরপিজি) গোলা এবং কিছু বিস্ফোরক সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে।তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
আজ শনিবার বেলা ১২টার দিকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব -৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম বলেন, ‘২১ নভেম্বর রাতে আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য আসে সাতছড়ির একটি পাহাড়ের ভেতরে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এরপর আমরা জায়গাটি চিহ্নিত করতে কাজ করি। এতে সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন আমাদের সহযোগিতা করেছে। শনিবার আমরা স্ক্যান করে জায়গা নির্দিষ্ট করে পাহাড়ের মাটি খুঁড়ে ১৩টি আরপিজি উদ্ধার করেছি। এগুলো কয়েক মাস আগে এখানে রাখা হয়েছে।’
তিনি বলেন, এসব গোলা ১০-১৫ বছর তাজা থাকে। এগুলো ধ্বংস করা হবে। তবে কারা কী উদ্দেশ্যে এসব উদ্যানের ভেতরে রেখেছে তা জানা যায়নি।
র্যাব জানিয়েছে, ‘সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন এবং র্যারের একটি চৌকষ আভিযানিক দল হবিগঞ্জের সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১৩ রাউন্ড আরপিজি গোলা এবং কিছু বিস্ফোরক সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।’
উদ্ধারকৃত গোলা ও বিস্ফোরক দ্রব্যসমূহ বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল কর্তৃক ধ্বংস করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব ৭-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মশিউর রহমা বলেন, ‘উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো খুব নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এগুলো আমরা অকুস্থলেই ধ্বংস করে দিয়ে যেতে চাই। সেজন্য ঢাকা থেকে র্যাবের বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড ইতোমধ্যেই রওনা দিয়েছে। এছাড়াও বিস্ফোরক ধ্বংসের বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশন (সিলেট)-এর অধীনে ২১ ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর একটি বিশেষজ্ঞ দল।’





