সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনধি :
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে যত্রতত্র মাহিন্দ্র ও দশচাকার ড্রাম ট্রাকের ধকলে বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে মহাসড়ক কিংবা গ্রামীণ রাস্তা ঘাট। কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মহাসড়ক ওগ্রামীণ সড়কে অতিরিক্ত ওজন নিয়ে দিন রাত্রি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মাহিন্দ্র ও দশ চাকার ড্রাম ট্রাক। অধিক অর্থ লাভের আশায় এক শ্রেণির বালু ও মাটি ব্যবসায়িরা এসব যানবাহন ব্যবহার করছে। এতে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে মহাসড়ক সহ অভ্যন্তরিন কাচা পাকা রাস্তা ঘাট।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ঘাট ও হেমায়েতপুর সিঙ্গাইর-মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অবাধে চলছে ডাম্প ট্রাকগুলো। সম্প্রতি দেখা যায় জামির্ত্তার সুদক্ষিরা গ্রামের ব্যক্তি মালিকানাধীনএকটি জমি ভরাটের কাজ করছে ঐসব ড্রামট্রাক। এতে ওই এলাকার রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ফাটলও ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ঘাতক ড্রাম ট্রাক ও মাহিন্দ্রে প্রতিবছর ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা ও ঝরছে তাজা প্রাণ।
আইনঅনুযায়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে সর্বোচ্চ ১০ টন পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল অনুমতি রয়েছে। সেখানে মাটি ও কয়লাবাহী ডাম্প ট্রাকগুলো ৩০-৪০ টন লোড নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হরদমে ।ডাম্প ট্রাকের চালক মো. নান্নু বলেন, ‘গাবতলি থেকে বালু নিয়ে সুদক্ষিরা গ্রামের এক ব্যক্তির জমি ভরাট করছি। এই সড়কে ডাম্প ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা আমার জানা নেই। মালিক আমাদের যে সড়কে গাড়ি চালাতে বলবেন, আমরা সেই রাস্তায় চালাব।’
বাস্তা এলাকার মো. রাসেল মিয়া বলেন, ‘দিনে-রাতে এসব ডাম্প ট্রাক চলাচল করায় জনজীবন অতিষ্ঠ। ওভারলোড করে বালু পরিবহন করায় রাস্তার উপরে বালু পড়ে। রাস্তার পাশের বাড়িঘরে চলে যায় সেই বালু। প্রতিবাদ করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না ডাম্প ট্রাকের চলাচল। এ বিষয়ে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ডাম্প ট্রাক চলাচলের বিষয়ে আমার জানা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’





