সাইফুল ইসলাম সিংগাইর মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জ সিংগাইরের৷ চারিগ্রামের সরকারি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আবুবক্কর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে। আবু বক্কর সিদ্দিক উপজেলার দক্ষিণ চারিগ্রামের সফিজুদ্দিনের পুত্র। কালিগঙ্গা নদীর সাথে সংযুক্ত এ সরকারি জনগুরুত্বপূর্ণ খালটি প্রকাশ্যেও দিবালোকে দখল হলেও নির্বিকার ইউনিয়ন ভূমিসহকারি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার।
জানা গেছে ধলেশ্বরী নদী হতে সংযুক্ত নুরানি খালটি কইতরা মিতরা ও সিংগাইর উপজেলার - কালিয়াকৈর চারিগ্রাম হয়ে বরাইটা বাজার সংলগ্ন কালিগঙ্গানদীতে এসে প্রবেশ করেছে। এক সময়ে এই খালটি দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের নৌপথের একমাত্র চলাচলের মাধ্যম হলেও কাল ভাদ্রে খালটির বিভিন্ন পয়েন্টে দখলও দূর্ষণে মরা খালে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে কালিগঙ্গার প্রবেশদ্বারে খালটি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করলেও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা খায়রুল বাশার রয়েছেন নিরব। নায়েবকে থোরাই কেয়ার করে প্রভাবশালী ও দখলবাজ আবুবকর সিদ্দিক সরকারি খাল ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করেও রয়েছেন বহালতবিয়ত।
স্থানীয়রা এ সরকারি খাল দখলের বিষয়টি নায়েব কে একাধিকবার জানালেও সরকারি খাল উদ্ধারে নেননি কোন পদক্ষেপ। তার উদাসীনতার কারণে সরকারি খাল যাচ্ছে প্রভাবশালী দের পেটে। এতে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশা পাশি পানি প্রবাহের বাধার সৃষ্টি হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ বাধার সৃষ্টি কারণে খালের দুইপাশের অসংখ্যে বসত বাড়ী ধসে যেতে পারে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তা ব্যক্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাবধান বানীতে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে কোন নদী, নালা, খাল বিল, ডোবা-নালা, জ্বলাশয় , পুরাতন পুকুর , কোন ক্রমেই ভরাট করা যাবেন, এমন কি কোন উন্নয়নমূলক প্রকল্প দেওয়াও যাবে না। এসাবধান বানী ভূমি অফিসার জানাসত্বেও খাল দখলে কোন কর্ণপাত করছেন না তিনি।
সহকারী কমিশনার( ভুমি) মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, সরকারি জমি , খাল বিল দখল করার কারও এখতিয়ার নেই । খাল দখলের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





