সাইফুল ইসলাম সিংগাইর প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের ফতেপুর রমজান আলী টেকনিক্যাল স্কুলএন্ড কলেজের নামে টিআর এর মোটা অংকের অর্থ তিন মাস আগে উত্তোলন করলেও এক টাকার কাজও করেন নাই কলেজ কতৃপক্ষ । সরকারি অর্থ চলছে লুটপাটের পায়তারা। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থে কোন কাজ না করলে ঐ অর্থ সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষের নিকট ফেরত দিতে হবে। কিন্তু ঐ অর্থ অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান কোন কাজ না করে তার পকেট রাখেন। পরবর্তী তাকে কাজ করার চাপ দিলে ঐ অধ্যক্ষ বিধিবহির্ভূত ভাবে ঐ কলেজের সভাপতি মেয়র রমজান আলীর নিকট টাকা ফেরত দেন। টাকা ফেরতের অনেক দিন অতিবাহিত হলেও কোন কাজ হয়নি ঐ অর্থে। এতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠলে তিনি বহিস্কৃত হন।
জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে কোটি কোটি টাকার কাবিখা, টিআর, জিআর, কাবিটার মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দ দেন সরকার। সে মোতাবেক সিংগাইর উপজেলার ফতেপুর মেয়র রমজান আলী টেকনিক্যাল স্কুলএন্ড কলেজের উন্নয়ের জন্য ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ২য় পর্যায়ে কাবিটার আওতায় ১১দফায় এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেন প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। সরকারি ঐ অর্থ দিয়ে কলেজের মাটি ভরাটের কাজ করার কথা থাকলেও বিল উত্তোলনের তিন মাস অতিবাহিত হলেও ঐ অর্থের এক টাকার কাজও করেননি অধ্যক্ষ মিজানুর।
নিয়ম অনুযায়ী পদাধিকার বলে ঐ কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সভাপতি ও কলেজের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য শাহজাহান শিকদার, আঃমজিদ, হযরত আলী, মোঃ দেলোয়ার হোসেন সরকারি প্রকল্পের সদস্য হন । অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান কলেজের উন্নয়নের নামে চারজন সদস্যদের স্বাক্ষর নিয়ে এক লক্ষ টাকা তিনি হাতিয়ে নেন। সংশ্লিষ্ট কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা কাজের জন্য টাকা চাইলে তিনি নানা টালবাহানা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎের কারণে কলেজ কর্পতৃক্ষ তাকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করেন।
কলেজ অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান বলেন, টাকা আমি উত্তোলন করেছি। কাজ হয়নি এটা সত্য। এই টাকা কলেজের সভাপতির নিকট ফেরত দিয়েছি কাবিটা প্রকল্পের সদস্য শাহজাহান শিকদার বলেন কাজের কথাবলে আমার নিকট থেকে স্বাক্ষর নিয়েছে। টাকার ব্যাপার কিছুই জানিনা।
প্রকল্প বাস্তব বায়ন অফিসের প্রকৌশলী বলেন, নিয়ম হলো পাশকৃত প্রকল্পের অর্থ দিয়ে যদি কোন কাজ না করেন তাহলে পিআইও অফিসে ফেরত দিতে হবে। এ টাকা অন্য কারও নিকট ফেরত দিলে আত্মসাত বলে গন্য হবে।
প্রকল্প বাস্তব বায়ন কর্মকর্তা মোঃ আহাদী হোসেন বলেন, এই প্রকল্পের কাজ অন্য জায়গায় দেওয়া হয়েছে বলে তিনি সাংবাদিককে এড়িয়ে যান ।





