সিটি নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে: গৃহায়ন মন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

সিটি নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে: গৃহায়ন মন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১২ জানুয়ারি, ২০২০

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন অবাধ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউর করিম।

তিনি বলেন, “আমাদের পরিষ্কার কথা, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। সে নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হবেন, রাষ্ট্র তাদেরকে দায়িত্ব পালনের সকল সুযোগ দেবে। কুমিল্লা, রংপুর ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। আওয়ামী লীগ সেখানে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেনি।”

সুপ্রিম কোর্ট বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে আজ রোববার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি উত্তোলনের সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এসব কথা বলেন।

এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ‘গোটা জাতির জন্য গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় বাঙালি জাতির ইতিহাসে একজন মহামানবকে পাওয়া। সেই মহামানব জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। হাজার বছরের নয়, সর্বকালের বাঙালি জাতির ইতিহাসে যতটুকু খোঁজ পাওয়া যায়, তার মত মহামানবের জন্ম আর হয়নি। সে জন্য আমরা তাকে বলি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান। কেউ কেউ ভুল করে বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তখন আমরা প্রশ্ন তুলি, তাহলে এক হাজার বছরের পূর্বে আরও কেউ ছিল কি না? এটাই চূড়ান্ত, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “টুঙ্গিপাড়ার অজোপাড়াগায়ে বাগিয়ার খালের পাশে ছোট্ট একটি পরিবারে যার জন্ম হয়েছিল সেখানে তিনি ধীরে ধীরে খোকা মিয়া থেকে শেখ মুজিব, শেখ সাহেব, বঙ্গবন্ধু, জাতির জনক, তারপর স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি এবং একটা পর্যায়ে তিনি বিশ্বের নির্যাতিত, নিষ্পেষিত মানুষের নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। বাঙালিত্ব যতদিন থাকবে, বাঙালির স্বকীয়তা যতদিন থাকবে, ততদিন বাঙালির হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু ভাস্বর হয়ে থাকবেন।”

ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী যোগ করেন, “একাত্তর সালে যারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি তারাই কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরের দিন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিল। এই ব্যক্তিরাই কিন্তু একাত্তর ও পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে একই ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। তারাই কিন্তু পাকিস্তানের অবয়বে বাংলাদেশকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল। তারাই বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করা যাবে না বলে ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স এবং পরে তা আইন করেছিল।”

তিনি আরো বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে অদম্য ইচ্ছা ও সাহস দেখিয়েছেন, এটা বিশ্বের ইতিহাসে বিষ্ময়। নিজ দলের নেতা-কর্মীদের দল থেকে বের করে দিয়ে দুদকের মুখোমুখি করা, উপমহাদেশের ইতিহাসে ক্ষমতাসীন দলের এ ধরণের রেকর্ড নেই, যেটা শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন।”

ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রাজুর সঞ্চালনায় এবং সভাপতি ওয়াকিল আহমেদ হিরনের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন। ফোরামের জ্যেষ্ঠ সদস্য ফারুক কাজী, মিজান মালিক, আশুতোষ সরকার, সাঈদ আহমেদ খান, মাজহারুল হক মান্না, মাশহুদুল হকসহ অন্যান্য সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads