মেজর (অবঃ) সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলার মূল ৩ আসামি বরখাস্ত হওয়া টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বরখাস্ত হওয়া ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ও বরখাস্ত হওয়া এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতকে তৃতীয় দফায় আরও ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
এর আগে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জামিন আবেদন করেন এবং রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানায়। আদালত আসামী পক্ষের দুটি আবেদন না মঞ্জুর করে খারিজ করে দেন।
দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হলে দুুুপুর তিনটার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহার আদালতে আরও চারদিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করে র্যাব। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২৪ আগষ্ট প্রথম দফায় এই ৩ পুলিশ সদস্যের ৭ দিনের রিমান্ড শেষ হয়। আদালতের আদেশে দ্বিতীয় দফায় তাদের আরও চারদিনের রিমান্ডে নিয়ে যায় র্যাব।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) র্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য গত ১৮ জুলাই কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে র্যাব হেফাজতে রিমান্ডে নিয়ে গিয়েছিলেন।
এ পর্যন্ত তাদের সর্বমোট ১১ দিন রিমান্ড করেছে র্যাব। এখন আরও তিন দিনের রিমান্ডের জন্য নিয়ে যাচ্ছে র্যাব।
ইতোমধ্যে তাদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার বর্ণনা শুনেন র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
এ ঘটনায় বুধবার টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ’র আদালতে ওসি প্রদীপ ও আইসি লিয়াকতসহ নয়জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে তা এফআইআর হিসাবে রুজু এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব-১৫) তদন্তের নির্দেশ দেয়।





