সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তির পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত ও উভয়পক্ষে অন্তত ২০জন আহত হয়েছেন।
সোমবার সকালে সলঙ্গা থানার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চৈত্রহাটিতে সংঘর্ষের এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত কোরবান আলী (৪০) চৈত্রহাটি গ্রামের ছোরমান আলীর ছেলে।
আহতদের মধ্যে চৈত্রহাটি গ্রামের আদিবাসি তাপস, আকাশ, শ্রী নরেন, ওয়াসিম, স্বদিব, নিরঞ্জন, শ্রী কমলেস, দশরত, জিতেন, পরিতোষ, পরিমল, সবিতা রাণী, চায়না খাতুন এবং অপরপক্ষের দেলবার, খোরশেদ, আমিরুল, হাসান, সবুজকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেড জেড এম তাজুল হুদা জানান, স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন লোকজন নিয়ে চৈত্রহাটি শ্রী শ্রী জগদিশ্বরী মাতা মন্দিরের পুকুরে মাছ ধরতে গেলে আদিবাসীরা বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষে আহত একজন বগুড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে বলে শুনেছি। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে দুই জনকে আটক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আহত আদিবাসী তাপস মুড়ারী জানান, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলতাব হোসেনের নেতৃত্বে দেলোয়ার গংরা মন্দিরের পুকুরে জোর করে মাছ ধরতে আসলে বাধা দেয়ায় তারা আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন জানান, মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত কোরবান আলীকে আশংকাজনক অবস্থায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে।





