সিরাজগঞ্জে সড়কে ঝরল ৯ প্রাণ

ছবি: বাংলাদেশের খবর

দুর্ঘটনা

সিরাজগঞ্জে সড়কে ঝরল ৯ প্রাণ

  • সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২ জুন, ২০১৯

চালকের গাফিলতি ও বেপোয়াগতিতে গাড়ী চালানোর কারণে ৯ তাজা প্রাণ ঝড়ে গেছে। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাটিকুমরুল-পাবনা মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার বোয়ালিয়া বাজারের কাছে জোড়া ব্রীজের উপর বাস-লেগুনা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ৮জন গুরুত্বও আহত হয়েছে।

নিহতরা হলেন- উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া কৃষ্টপুর গ্রামের রেজাউল করিম পন্ডিতের ছেলে মাওলানা নুরুল ইসলাম (৪৫), একই গ্রামের মৃত জয়নালের ছেলে জুলমত আলী (৪৫), কয়ড়া গ্রামের  ছোরহাব আলীর ছেলে ফজলুর প্রামানিক (৩৫) , চাড়াবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল বারিক (৪৫) ,পাগলা উত্তরপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে লেগুনা চালক রেজাউল করিম (৩২), বজড়াপুর গ্রামের আবু হানিফের  ছেলে আবু সিদ্দিক (৩৮), এই গ্রামের মৃত আবু হানিফের ছেলে শেখ সাদি (৫৫), বড়হর গ্রামের ইনসাব আলীর ছেলে আক্তার হোসেন (৪২) ও সলঙ্গার ফেউকান্দি গ্রামের গফুর ফকিরের ছেলে আব্দুল মান্নান (৫০)।

সিরাজগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ স্নিগ্ধ আকতার জানান, ঢাকা থেকে পাবনাগামী পাবনা এক্সপ্রেসের একটি এসি বাস ঘটনাস্থলে পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই লেগুনায় থাকা ৮ জনের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে নেয়ার আরো একজন মারা যায়।

তিনি জানান, বৃষ্টির মধ্যে রাস্তা ফাঁকা থাকায় বাস ও লেগুনা দুটোই দ্রুতগামী ছিল। যে কারণে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মুলত চালকদের গাফিলতি ও বেপোরো গতিই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শী বোয়ালিয়া এলাকার মাহবুবুর রহমান জানান, পাবনাগামী বাসটি দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল। আর বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুত গতির লেগুনাটি সামনে বাস না দেখেই আরেকটি নসিমনকে ওভারটেক করায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটির সম্মুখভাগ সম্পন্ন দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জিলানী জানান, সংবাদ পেয়ে বৃষ্টি উপেক্ষা করে উল্লাপাড়া, সলঙ্গা ও হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং সিরাজগঞ্জ ও উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা যৌথভাবে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হলেও দ্রুত উদ্ধার অভিযানের কারনে অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিত স্বাভাবিক হয়।  বিকেলে নিহতের লাশ পরিবারের লোকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লেগুনাও জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান জানান, নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হবার পর তাদের প্রত্যেক পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads