নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় স্বাস্থ্য বিধি না মানা ও মাস্ক ব্যবহার না করায় বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এই নিয়ে গতকাল সোমবার দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকার অনলানই ভার্সনে সংবাদ প্রকাশের পর আজ মঙ্গলবার সেনবাগ পৌর শহরে ভ্রাম্যামাণ আদালত পরিচালনা করেছেন সেনবাগ উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও ভ্রামমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার।
মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার দুপুরে সেনবাগ পৌর শহরের থানা মোড়ে ওই অভিযান পরিচালনা করেন। মাস্কবিহীনভাবে ঘোরাঘুরি করায় স্বাস্থ্য বিধি ২৭১ ধারায় ১৩ জনের কাছ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা ও মোটরযান আইনে ১৩৮ ও ১৫২ ধারায় ২ জনের নিকট থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকাসহ ১৫ জনের কাছ থেকে সর্বমোট ৪ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কবার খবরে পুরো বাজার জনশূন্য হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে অনেকে মাস্ক পরে বাজারে আসতে দেখা যায়।
নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার জানায়, সরকার করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরিদান করা বাধ্যতামূলক করেছে। কিন্তু এখানকার লোকজন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে হাট-বাজার গুলোকে অবাধে গুরাগুরি করছে। যার কারণে সেনবাগে কোরবানির ঈদের পর থেকে সেনবাগে করোনা রোগীর সংখ্য দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব কারণে লোকজনকে সচেতন করার জন্য প্রতিটি হাট-বাজার সহ গুরুত্বপূর্ন স্থানে মাইকিং করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এতেও সচেতন না হওয়া মোবাইল কোট পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২৬ র্মাচ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত এই ৫ মাসে সেনবাগে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৫০ জন। অপর দিকে কোরবানির ঈদের পর থেকে ৩ আগষ্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৮৫ জন।
ইতোমধ্যে সেনবাগে করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১১ জন। যা নোয়াখালী জেলার মধ্যে তৃতীয়।





