সড়ক যেনো হাঁসের খামার

সড়কের পাশেই এভাবে হাঁস বিচরণ করতে দেখা যায়

ছবি : বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

সড়ক যেনো হাঁসের খামার

  • দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২১ জুন, ২০১৯

দূর থেকে যে কেউ মনে করতে পারে সড়কের পাশেই হয় তো গড়ে উঠেছে হাঁসের খামার। কিন্তু কাছে আসলেই বোঝা যায় আসল ঘটনা। নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এমনি এক চিত্র দেখা মিলে পৌর শহরের কলেজ রোডে। এই সড়কের যে দিকেই তাকানো যায় চোখ পড়ে শুরু খান্নাখন্দের।

এই খান্নাখন্দে বৃষ্টি পানি জমে অনেকটাই দেখায় ডুবার মত। আর এই ডুবাতে প্রায় সময় দেখা মিলে ৯/১০ রাজহাঁসের। খাদ্য খোঁজা থেকে শুরু করে গোসল, সাতাঁ কাটা সব কিছুই সেরে নিছে তারা। আবার কখনো কখনো গাড়ি শব্দে দৌড়ে পালাতেও দেখায় হাঁস গুলোকে । অথচ এই সড়কটি র্নিমাণের ১ বছর পেরোতে না পেরোতেই সড়কের এই বেহাল দশা।

২০১৭ সালের শুরু দিকে ২ টি প্যাকেজে পৌর শহরের কালী বাড়ী মোড় হতে আত্রাইখালি ব্রীজ পর্যন্ত (৭৫০ মিটার) ও সুসং সরকারী মহাবিদ্যালয়ের সামনে থেকে ফায়ার র্সাভিস ষ্টেশন পর্যন্ত (৬৩৫ মিটার) মোট ১.৩৮ কিলোমিটার সড়ক র্নিমাণ কাজের উদ্বোধন হয়। সাথে ৮ লাখ টাকার আরেক একটি প্যাকেজে কালী বাড়ী মোড় থেকে ধান মহল পর্যন্ত আরসিসি ড্রেনের কাজের উদ্বোধন হয়। সব গুলো কাজের জন্য ব্যয় ধরা হয় ১ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা।

কিন্তু এই উন্নয়ের কোনো সুফল পায়নি পৌরবাসি। কালী বাড়ী মোড় থেকে ধান মহল পর্যন্ত আরসিসি ড্রেন র্নিমাণ হয়েও সড়কের পানি ড্রেনে যাবার মত রাখা হয়নি কোনো পথ। বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে এই সড়কে। আবার অনেক জায়গায় ভেঙ্গে গেচ্ছে ড্রেনের পাটাতন।

২য় শ্রেণরি এই পৌরসভায় নাগরিকদের জন্য যাতায়াতে সড়ক র্নিমাণ হয়েও তার কোনো টিই টিকে না এক বছরের বেশি। ভারী যানবাহন ও র্নিমাণ কাজের নিন্মমানের মালামার ব্যবহার করাকেই দায়ী করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাছাড়া পৌর শহরের প্রায় সকল সড়কই দখল করে নিয়েছে ফিটনেস বিহীন লড়ি, বিদ্যুৎ চালিত অটো ও অটোরিকশা সহ বিভিন্ন ঝুকিপূণ্য যানবাহন। যার ফলে আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে সড়ক র্দূঘটনার পরিমানও। আর এব্যাপারে অনেকটাই উদাসী ভ’মিকা পালন করেছে পৌর কতৃপক্ষ।

স্থানীয় বাসিন্দা মো: রিয়াজ উদ্দিন জানায়, আমরা ২য় শ্রেণরি এই পৌরসভায় বাস করেও তেমন কোনো সুযোগ্য সুবিধা পাচ্ছিনা। কিন্তুনিয়মিতই দিতে হচ্ছে পৌর কর। যা আবার বেড়েছে হয়েছে দ্বিগুণ। পৌরসভা যেসব সড়ক র্নিমাণ করেছে এক হলো নিম্নমানের সামগ্রী। অপর দিকে ভারী যানবাহন অল্পদিনেই সড়ক গুলো করে দিচ্ছে চলাচলের অনুপযোগী। তাহলে এই র্নিমাণ করে লাভ কি ?

পৌরসভার প্রকৌশলী নওশাদ আলম জানায়, পৌর শহরের সড়ক গুলি সাধারণত ১০/১৫ টনের ভারী যানবহনের জন্য তৈরি করা হয়। কিন্তু তাতে যদি ৫০/৬০ টনের বালু পরিবহনকারী ভারী যানবহন চলে তো সড়ক নষ্ট হবেই। এব্যাপারে বেশ কয়েকবার উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি তাতে পৌর শহরের ভিতর দিয়ে ভারী যানবহন গুলি চলাচল বন্ধ করা যায়। তাহলে পৌর বাসী সড়কের সুফল পাবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads