চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যাচেষ্টা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ ফারুক’কে শিকলবাহা এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ীর সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল এই পরিকল্পিত হত্যা চেষ্টা চালায়।
শনিবার( ১৩ জানুয়ারি) সকালে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এর এএসপি নূরুল আবছার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী আবুল বশর এবং আটক হওয়া আসামি মোঃ ফারুক তারা প্রতিবেশী, আবুল বশর তার বাড়ীর সীমানায় বাশেঁর বেড়া নির্মাণ কাজ শুরু করলে আসামি মোঃ ফারুক এবং তার অন্যান্য সহযোগী আসামিরা পূর্বপরিকল্পিত ভাবে দেশী অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে আসামি মোঃ ফারুক এবং তার অন্যান্য সহযোগী আসামিরা মামলার বাদী আবুল বশর এর স্ত্রী এবং তার ভাইয়ের স্ত্রী’কে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় তৈরী রামদা, কিরিচ দ্বারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এবং মামালার বাদী ভিকটিমদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানায় ৫ জন নামীয় এবং অজ্ঞাতমনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরধারীর এক পর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মামলার পলাতক আসামি মোঃ ফারুককে চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী থানাধীন শিকলবাহা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে, ফারুক জেলার আনোয়ারা থানার বৈরাগী পাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর পুত্র। তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট হতে গ্রেফতার এড়াতে চট্টগ্রাম মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিল।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক মিডিয়া এর এ এস পি নূরুল আবছার জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি ফারুকের সিডিএমএস পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানায় ছিনতাই সংক্রান্তে আরো ১টি মামলার তথ্য পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলার আনোয়ারা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।





