মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর ডাকা হরতালকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও ওসিসহ শতাধিক আহত হয়েছে। সাতটি বাড়ী ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগ চারটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এখন এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন রয়েছে।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আব্দুল হামীদ, হেফাজতের কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা বশির আহমেদ, সিরাজদিখান থানার ওসি এসএম জালালউদ্দীন, সেকেন্ড অফিসার সেকান্দর আলী, এস আই রাজু আহমেদ,ছাত্রলীগের তুষার, নাজমুল ইসলামসহ যুবলীগ ও হেফাজতের নেতাকর্মীসহ শতাধিক আহত হয়েছে । আহত হেফাজতের নায়েবে আমির আব্দুল হামিদকে ঢাকা সেন্ট্রাল হাসপাতালে এবং সিরাজদিখান থানার ওসি এসএম জালালউদ্দিনকে স্কায়ার হাসপাতালে আর বাকীদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০ হেফজতের নায়েবে আমির আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে একটি মিছিল ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করতে চাইলে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের নিমতলা-রাজানগর সড়কের শিকারপুর নামক এলাকায় পুলিশের বাধার মুখে পরে। এর আগে হেফাজতের আরো একটি গ্রুপ মহাসড়ক ঘন্টাব্যাপি অবরোধ শেষে পীর সাহেবের সাথে যোগ দিলে হেফাজতের সাথে পুলিশ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় পুলিশ টিয়ারশেল ও ২০০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এ সময় হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আব্দুল হামিদের গুলিবিদ্ধের খবর ছড়িয়ে পড়লে দুপুর ২টায় হেফাজতের নেতাকর্মীরা রাজানগর ইউনিয়েরে আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম আলমগীর, রাজানগর ইউনিয়নের যুবলীগলের সভাপতি হোসেন আলী খান, সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল্লাহ সোহেল, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সদস্য আসাদুজ্জামান বিপ্লব,রাজানগর ইউনিয়নের ছাত্রলীগের আহবায়ক আসেলখান, ছাত্রীলগ নেতা এনামুল ইসল রিফাত,শাহলরঅম বেপারীর বাড়ীসহ ৭টি বাড়ীতে অগ্নিসংযোগসহ ভাঙ্গচুর করা হয় ।
হেফাজতে ইসলামের সিরাজদিখান উপজেলার সভাপতি ওবায়দুল্ল কাশেমী দাবী করে বলেন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপরের শরীরে ৩ টি গুলিবিদ্ধ এবং হেফাজতের কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা বশির আহমেদসহ আমাদের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং ২৫ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে।
বাড়ীঘর ভাংচুরের বিষয়ে তিনি অস্বীকার করে বলেন, এলাকার জনগণ উত্তেজিত হয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(সিরাজদিখান সার্কেল)রাজিবুল ইসলাম জানান, আমাদের ১০ জন পলিশ আহত হয়েছে। সিরাজদিখান থানার ওসি সাহেব গুরুতর আহত হয়ে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল পরে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।





