হাজীগঞ্জে মসজিদের মুয়াজ্জিনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

হাজীগঞ্জে মসজিদের মুয়াজ্জিনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

  • চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৭ এপ্রিল, ২০২২

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সম্পত্তি বিরোধের জের ধরে মসজিদের মুয়াজ্জিনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল তদন্ত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. ইব্রাহী খলিল।

রোববার সকালে উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের হাড়িয়াইন গ্রামের নতুন মিজি বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিম ও গ্রামের মৃত শামসুল হকের ছেলে। সে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরের জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে কর্মরত ছিলো।

নিহত সেলিমের আপন বড় ভাই নজরুল ও জেঠাতো ভাই সেরাজুল ইসলামের মসজিদের মুয়াজ্জিন সোলায়মানকে পিটিয়ে হত্যা করে।

নিহত সেলিমের মেয়ে আয়েশা জানান, রোববার সকালে তাদের বাড়ি মাপার জন্য শালিশী বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। সকালে আমার আপন চাচা নজরুল ও বাবার জেঠাতো ভাই সেরাজুল ইসলামের ছেলে সোলায়মানদের শালিশিরা আসলেও আমাদের পক্ষে কেউ না থাকায় আমার বাবার সাথে নজরুল ও সোলায়মানের ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে আমার বাবাকে আঘাত করে নজরুল, এ সময় সোলায়মান বাবার মুখে থাপ্পড় মারে। এতে বাবা ঘটনাস্থলে পড়ে গেলে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত ডাক্তার আমার বাবাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ঘটনাটি শুনে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. ইব্রাহী খলিল, এসই আল আমিন, এসআই মোস্তাক আহমেদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতুদেহের সুরত হাল তৈরী করে।

এ ঘটনায় পুলিশ হাড়িয়াইন মৃত সেলিমের বাড়ীতে গেলেও সেই বাড়ীতে তার ভাইদের কাউেিক পাওয়া যায়নি। সেলিমের মৃত্যুর খবর শুনে সবাই বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

নিহত সেলিমের স্ত্রী পেয়ারা বেগম জানান, আমার ৫ সন্তান নিয়ে খুবই কষ্টে দিন পার করছি। যারা আমার একমাত্র উপার্জনকারীকে হত্যা করেছে আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ইব্রাহীম খলিল জানান, নিহত সেলিমের মৃত্যু দেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরে প্রেরণ করা হবে। রিপোর্ট আসলে পরবর্তীতে পরিবারের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads