করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় টুরিস্টভিসাসহ বিভিন্ন দেশের সকল ভিসা স্থগিতের পর হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে শনিবার সকাল থেকে দুদেশের পাসপোর্টযাত্রী পারাপার সাময়িক বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৫শ থেকে ৬শ যাত্রী চিকিৎসা, ভ্রমন, ব্যবসা, শিক্ষাসহ নানা কাজে ভারত-বাংলাদেশের মাঝে যাতায়াত করে থাকেন। সম্প্রতি ভারত সরকার টুরিষ্ট ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে, এর পর যাত্রী পারাপারেও নিষেধাঙ্গা আরোপ করেছেন। এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে শনিবার সকাল থেকে আগমন ও বহির্গমন দুটোই মৌখিক ভাবে সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট ওসি সেকেন্দার আলী বলেন, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে শুক্রবার সকল থেকে বিকেল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল। শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল সাড়ে ৬টা পযর্ন্ত আগমন করে বাংলাদেশী ৩১৫জন, ভারতীয় ৯১জন ও বিদেশী নাগরিক ১জন। এছাড়া বহির্গমন করে বাংলাদেশী ৩২৩জন এবং ভারতীয় ১০৩জন পাসপোর্ট যাত্রী।
তিনি আরও জানান, ওপারে ভারতীয় ইমিগ্রেশন ওসির সাথে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তবে তাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা আসেনি। তারা সকাল থেকে আগমন ও বহির্গমন যাত্রী পারাপার সাময়িক বন্ধ রাখবেন। এবং উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রম চালাবেন।
ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশী ও বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের প্রবেশে অনুমতি পরবর্তী নির্দেশনার উপর নিভর করবে বলে জানান ভারতীয় ইমিগ্রেশমন ওসি।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, পাসপোর্ট যাত্রীদের নিকট থেকে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়, যাত্রী পারাপার বন্ধ হলে এই পরিমান রাজস্ব হারাবে সরকার। তবে আমদানি রপ্তানি বন্ধের কোন নির্দেশনা আসেনি।





