লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগরের চরলরেঞ্চ (চরকালকিনি) সামছুল হকের পুত্র আবদুল গফুর ২০০৬ সাল থেকে পর্যন্ত প্রায় ১৪ বছর ধরে একটি মামলার আসামি হয়ে কারাভোগ করে আসছেন। সে বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে বন্দি আছে।
সোমবার আসামির মেয়ে জেসমিন আক্তার তাদের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে তার বাবার মুক্তির দাবি করেছেন।
জেসমিন আক্তার জানান, ২০০৬ সালের ৯ আগস্ট তার মা ফাতেমা আক্তার প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার খেয়ে ঘুমানোর পর সকালে উঠে তার মাকে ঘরের ভিতরেই মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক আনলে তার মায়ের মৃত্যু বিষাক্ত সাপের কামড়ে হয়েছে বলে মতামত দেয়।
পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার নানা মৌলভী আবদুস সাত্তার বাদী হয়ে কমলনগর থানায় তার বাবা আবদুল গফুর, চাচা মোঃ হানিফ, মোঃ মোস্তফা এবং আবদুল আলীসহ ৪জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নং ৪৪৫/০৬, তাং-১০/৮/২০০৬ইং। পরে চার্জশিট থেকে তার চাচা জেঠাসহ তিন জনকে বাদ দেয়া হয়। তার বাবা গত ১৪ বছর কারাবরন করতে হয়।
তার দাবী, অভাব অনটনের কারণে টাকা পয়সা না চালাতে পারানোর কারনে তার বাবা জেল খাটছে। তিনি আরো দাবি করেন, তার বাবা নির্দোষ। তার মা সাপের কামড়েই মারা গেছে। বর্তমানে তার বাবা কাশিমপুর কারাগারে ভার্তি আছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির কাছে তার বাবাকে ক্ষমার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার চাচা মোঃ হানিফ, মোঃ মোস্তফা এবং জেঠা আবদুল আলী।





