দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের ন্যূনতম পরিবেশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
তিনি বলেন, ‘সরকার যেভাবে চাচ্ছে প্রশাসন সেইভাবে নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে। নির্বাচন কমিশন তা রোধ করছে পারছেন না। এ পর্যন্ত আমাদের সাতজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে পুলিশ আটক করেছে। তাদের জামিন হচ্ছে না।’
আজ শনিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিদলের বৈঠকে শেষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন। বৈঠকে বিএনপি নির্বাচন কমিশনের কাছে ৬ দফার একটি লিখিত দাবি উপস্থাপন করেন।
বৈঠক শেষে মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘সারা দেশে এমপি-মন্ত্রীরা পদত্যাগ না করে প্রার্থী হওয়ায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে-এমন বলার ন্যূনতম সুযোগ নেই। প্রতিদিন রাতের বেলায় অভিযানোর নামে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আটক করছে। পুলিশি হয়রানির কারণে তারা বাড়িতে থাকতে পারছেন না।’
তিনি বলেন, ‘৯১, ৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে নির্বাচনকালীন প্রশাসনের রদবদল করা হলেও এবার তা না করায় সরকারের আনুগত্য প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা কোনো ভাবেই সম্ভব না।’
মওদুদ আহমদ অভিযোগ করে বলেন, ‘বিচারিক আদালত সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। সরকারের সাজানো পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসন দলীয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। উচ্চ আদালত বিভিন্ন সময়ে জামিন দিলেও বিচারিক আদালত নানা অজুহাতে তা আটকে রাখছে। এসব বিষযে প্রতিকার চেয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছি। কমিশন বক্তব্য আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। তাঁরা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে বলে আমাদের জানিয়েছেন।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা ছাড়াও, নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম, রফিকুল ইসলাম, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু, মুশফিকুর রহমান ও বিজন কান্তি সরকার।





