আপডেট : ১২ November ২০১৮
ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় থামছেই না বাল্যবিয়ে। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় উপজেলার চারটি পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুপস্থিত ৯৯ জন ছাত্রীর প্রায় সবাই বাল্যবিয়ের শিকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। আজ সোমবার সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আফিনা, মৌসুমী, হাসনা, শাহিনা, শাহনাজ পারভীন, দাসিয়ারছড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আতিকা খাতুন, বালারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের রুজিনা, সেলিনা, মোকছিদা খাতুন বিয়ে হওয়ায় এবারের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত। গত ৬ মাসে বালারহাট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও দাসিয়ারছড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৩৩ জন শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও আরডিআরএস বাংলাদেশের বিল্ডিং বেটার ফর গালর্স (বিবিএফজি) প্রজেক্ট এর মাধ্যমে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনসচেতনতা এবং বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি কাজ করলেও থামছে না বাল্যবিয়ে। উপজেলার কৃষ্ণানন্দবকসী গ্রামের জাবেদ আলী, কুরুষা ফেরুষা গ্রামের খলিলুর রহমান, পুর্ব-ফুলমতি গ্রামের মোকলেছ আলী জানান, জামাই ভালো পাওয়ায় তাদের জেএসসি পরীক্ষার্থী মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম জানান, চলতি জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় উপজেলার ৪টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ১৪০ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। এদের মধ্যে ৯৯ জন বালিকা এবং ৪১ জন বালক। ফুলবাড়ী জছিমিঞা সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র সচিব আবেদ আলী খন্দকার, শিমুলবাড়ী মিয়াপাড়া নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র সচিব জামাল উদ্দিন বিএসসি বাল্যবিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরীক্ষায় অনুপস্থিত মেয়ে পরীক্ষার্থীর দুই-একজন ছাড়া সবার বিয়ে হয়ে গেছে। আরডিআরএস বাংলাদেশের বিবিএফজি প্রজেক্ট ম্যানেজার ঝরনা বেগম দাবী করেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রশাসনের সহযোগিতায় সভা সেমিনার করে অগ্রগতি হচ্ছে। সবার সহযোগিতায় এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। ইউএনও মোছাঃ মাছুমা আরেফিন জানান, অভিভাবকদের সচেতনতা না থাকায় বাল্য বিবাহ হয়। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ জোরদার করতে হবে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১