আপডেট : ০৪ March ২০১৯
উত্তাল মার্চের প্রথম সপ্তাহে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে নানামুখী রাজনৈতিক সমীকরণ দাঁড়াতে থাকে। একদিকে পশ্চিম অংশের শাসকদের গাদ্দারি, অন্যদিকে পূর্ববঙ্গের মানুষের প্রতিরোধ। রাজনৈতিক সমীকরণটা তাই ক্রমেই জটিল হতে থাকে। অন্যদিকে পূর্ববঙ্গের নেতারা অন্যায়ের সঙ্গে আর আপস না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। ৪ মার্চ নাগাদ দেশের বেসামরিক শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়ে। সরকারি, বেসরকারি, আদালত, ব্যবসা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিমান-রেল-বাস-স্টিমার, ব্যাংক, স্টক এক্সচেঞ্জসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এদিন বন্ধ থাকে। জনগণ হরতালে অভাবিত সাড়া দেয়। ঢাকায় কারফিউ তুলে দেওয়া হলেও খুলনা, রংপুরে কারফিউ বহাল থাকে। খুলনায় সামরিক বাহিনীর হাতে প্রাণ হারায় বহু মানুষ। চট্টগ্রামের পরিস্থিতি বেশ নাজুক ছিল। ফরিদপুরে স্মরণকালের ইতিহাসে বৃহত্তম প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। যশোরে মিছিলে গুলি চলে এবং জনতা লাশের মিছিল বের করে। বঙ্গবন্ধু তার বিবৃতিতে উপনিবেশবাদী শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেন। মওলানা ভাসানী লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাঙালিদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের দাবি জানান। তিনি বলেন- কংগ্রেস, খেলাফত, মুসলিম লীগ, আওয়ামী লীগ ও ন্যাপের মাধ্যমে তিনি আন্দোলন করেছেন কিন্তু তাঁর ৮৯ বছরের জীবনে এবারকার মতো গণজাগরণ ও অগণতান্ত্রিক ঘোষণার বিরুদ্ধে এতটা সংঘবদ্ধ বিক্ষোভ আর দেখেননি।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১