আপডেট : ১২ May ২০১৯
ধানমন্ডিতে আলোচিত জুলহাস মান্নান ও মাহবুব রাব্বী তন্ময় হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে ৮ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন সিটিটিসির প্রধান মনিরুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে- গ্রেফতারকৃত ৪ জন হলো- আনসার আল ইসলামের মিডিয়া শাখার প্রধান এবং ইন্টেলিজেন্স সদস্য মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (২৫), সামরিক শাখার সদস্য ও সমন্বয়ক মো. আরাফাত রহমান (২৪), ইন্টেলিজেন্স শাখার প্রধান শেখ আব্দুল্লাহ (২৭) ও সামরিক শাখার সদস্য আসাদুল্লাহ (২৫)। মামলার পলাতক আসামী ৪ জন হলো- সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (চাকরিচ্যুত মেজর) (৪২), আকরাম হোসেন (৩০), সাব্বিরুল হক চৌধুরী (২৬) ও মো. জুনাইদ আহমদ ওরফে মাওলানা জুনেদ আহম্মদ ওরফে জুনায়েদ (২৬)। মামলাটি তদন্তকালে হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ১৩ জনের সম্পৃক্ততা পায় সিটিটিসি। ঘটনায় সম্পৃক্ত অপর ৫ জন আসামীর শুধুমাত্র সাংগঠনিক নাম জানা যায়, পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় ৮ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। পলাতক আসামীদের অদূর ভবিষ্যতে গ্রেফতার করা সম্ভব হলে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রেফতারকৃত ৪ জন আদালতে ঘটনার সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামীদের জবানবন্দি এবং অন্যান্য সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে জানা যায়, ঘটনার সাথে জড়িত আসামীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন আনসার আল ইসলামী বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় সদস্য। সংগঠনের নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (চাকুরিচ্যুত মেজর) এর নির্দেশে সংগঠনের সামরিক শাখার সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটায়। ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল রাজধানীর ৩৫ নম্বর উত্তর ধানমন্ডির ইউ এস এইড-এ কর্মরত জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তন্ময়কে সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করে।
নিয়মানুযায়ী আজ অভিযোগপত্র অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা ডিএমপির কাউন্টার টেরোজিম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১