বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ৩১ May ২০১৯

বাগেরহাটে ঈদকে সামনে রেধে ব্যস্ত দর্জিরা

ঈদকে সামনে রেখে দর্জিদের ব্যস্ত সময় পার ছবি : বাংলাদেশের খবর


ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। তাই বাগেরহাটের দর্জিদের চোখে ঘুম নেই। তারা ব্যস্ত কিভাবে যথা সময়ে গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো যায়। এবার ঈদে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি কাটা কাপড়ের চাহিদা কম নয়। নাম করা টেইলারিং হাউজগুলোর পাশাপাশি ছোট ছোট টেইলারগুলোর কারিগরদের ব্যস্ততাও বেড়ে গেছে।

বিগত বছরগুলোর ন্যায় রমজানের পূর্বে ও রমজানের প্রথম দিকে বেশি অর্ডার না হলেও এবার শেষ মূহুর্তে অনেক বেশি কাজ এসেছে তাদের কাছে। সময় মত এসব কাজ গ্রাহকদের কাছে বুঝে দিতে রিতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তারা। বাগেরহাটের কৃষকদের উৎপাদিত ধান কম দামে বিক্রি হওয়া বিপাকে পড়েছে তারা। কৃষকদের ঈদের আনন্দ বিলিন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তারপরও শেষ মূহুর্তে কাজের বেশি অর্ডার হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। তবে পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরন ও দর্জি শ্রমিকের মুজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন গ্রাহক এবং টেইলার্স মালিকরা। নামীদামী টেইর্লাস গুলোতে ১০/১২ রমজানের ভিতর অর্ডার নেয়া বন্দ হয়ে যায়। অবশ্য ছোট টেইলার্সগুলোতে ২০ রমজান পর্যান্ত কাজের অর্ডার নিয়ে থাকে। এবছর পুরুষের চেয়ে মেয়েদেরও লক্ষনীয় ভিড় দেখা যাচ্ছে টেইলার্সগুলোতে। রোজার শেষ মূহুর্তে তারা এসেছে তাদের অর্ডার দেয়া পছন্দের পোশাকগুলো নিতে।

শুক্রবার সকালে বাগেরহাট শহরের হাড়ীখালী এলাকার হীরা বেগম ও নাগের বাজার এলাকার মিনা বেগমসহ অনেকেই এসেছিলেন তাদের পোশাকগুলো নিতে। তারা তৈরি পোশাকের সাথে মিলিয়ে অন্য সামগ্রী কিনবেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

শহরের আপন টেইলার্সের মালিক কাম কার্টিং মাষ্টার মনিরুল ইসলাম জানান, তার ৭ জন কারীগর দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে। তাদের চোখে ঘুম নেই বললেই চলে। তারপরও সময় মত কাজ ডেলিভারী দিতে তার খুব কষ্ট হচ্ছে বলে জানান।

জয় মা টেইলার্সের বাসুদেব জানান, গতবছরের তুলনায় কাজ কিছুটা কম। তবে শেষ মুহুর্তে এসে অর্ডার হয়েছে বেশি। তবে অন্যবছরের তুলনায় টেইলার্সে ব্যবহৃত সামগ্রীর দাম ও শ্রমিকের মুজুরী অনেক বেড়ে গেছে। ফলে চাপটা পড়ছে গ্রহকদের উপর।

ঈদের কারনে টেইলারিং হাউজগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট চুমকি,পুঁথি, লেইজ- ফিতা,সুতো, বোতাম এর দোকানগুলোতেও ভিড় লক্ষ করাগেছে। তাসপিয়া লেইজ হাউজের সত্ত্বাধিকারী সোহাগ হাওলাদার জানান, ঈদ উপলক্ষে অনেক জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের কোন ভাবেই দাম বৃদ্ধির কথা বোঝানো যাচ্ছে না। ঈদ এলেই বেড়ে যায় পায়জামা-পাঞ্জাবি, জোব্বা, বোরখার কারিগরদের কদর।

কারিগররা জানান, মানুষ সব সময় পোষাক তৈরী করেনা। সাধারনত ঈদ ও পূঁজায় তাদের কাজের চাপ বেড়ে যায়। এ আয় দিয়ে সারা বছর চলতে হয় তাদের। তাই তারা শরীরের দিকে না তাকিয়ে দিনরাত প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১