আপডেট : ২৩ June ২০১৯
গরু মোটাতাজাকরণ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন হতদরিদ্র রাশেদা বেগম। কঠোর পরিশ্রম আর একটি এনজিও সংস্থার ক্ষুদ্রঋণেই তার ভাগ্য বদলেছে। তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার কমলপুর গ্রামের দিনমজুর মাহবুবুল হকের স্ত্রী। রাশেদা বেগম দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জননী। জানা গেছে, রাশেদা বেগমের তিন ছেলে-মেয়েসহ পাঁচ সদস্যের পরিবারে আর্থিক অনটন চলছিল। স্বামী মাহবুবুল হক দিনমজুর হওয়ায় কোনো মতে সংসারের খরচ মিটলেও ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়ছিল। ২০১৩ সালে এনজিও সংস্থা মুসলিম এইডের মাঠকর্মী আবদুল জব্বার রিফাতের সহযোগিতায় রাশেদা বেগমকে ওই সংস্থার সদস্য করা হয়। এরপর তিনি মুসলিম এইড থেকে দশ হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে একটি বাছুর ক্রয় করেন। বাছুরটি লালন পালন শেষে পরের বছর পঁচিশ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এভাবে ধাপে ধাপে রাশেদা বেগম তিন লাখ টাকা ঋণ নেন। বর্তমানে তার ছোট-বড় চারটি গরু আছে। গত ছয় বছর ধরে তিনি গরু মোটাতাজাকরণ শেষে বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছেন। রাশেদা বেগমের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তার বড় ছেলে রাব্বি অনার্স, মেজো ছেলে রাফি একাদশ শ্রেণী ও মেয়ে রাত্রী আক্তার অষ্টম শ্রেণীতে পড়ালেখা করে। গরু বিক্রির আয় দিয়ে ছেলে-মেয়ের পড়ালেখার পাশাপাশি ভালো পোশাক দেওয়া সম্ভব হয়েছে। টিনের চালা থেকে দো-চালা টিনের দুইটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। আগের চেয়ে সংসার ভালোই চলছে। দু-বেলা দু-মুঠো ভাত সন্তানদের মুখে তুলে দিতে পারায় তিনি মুসলিম এইডের কাছে কৃতজ্ঞ। এ ব্যাপারে মুসলিম এইড বাংলাদেশ মাইক্রো ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম চৌদ্দগ্রাম শাখার ব্যবস্থাপক মো. সাহেব আলী জানান, ‘ক্ষুদ্রঋণে রাশেদা বেগম স্বাবলম্বী হয়েছে। এছাড়া হতদরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য সরকারের পাশাপাশি কাজ করছে মুসলিম এইড।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১