আপডেট : ০১ December ২০১৯
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে মোংলা বন্দরে কোনো কাজ হয়নি, সে সময়ে তারা এই বন্দরকে ধ্বংস করতে নানা পরিকল্পনার মাধ্যমে মোংলা বন্দরকে অচল করে দেয়। তখন চাঁদাবজির ভয়ে কোন ব্যবসায়ী আসতো না এই বন্দরে। কোনো শিল্প কারখানাও হয়নি তখন। তাদের আমলে মোংলা বন্দর ছিলো ঘাসবনে ভরা। বিএনপি-জামায়াত রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা কালে নাব্য সংকটে এই বন্দরের পশুর চ্যানেলে কোনদিন ড্রেজিংও করা হয়নি। কারণ তাদের এই অঞ্চল ও মোংলা বন্দরের প্রতি তাদের কোনো দরদ ছিল না। আজ রোববার বিকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র খালেক বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে এই বন্দরকে নতুনভাবে প্রাণ দিয়েছে। ব্যপক উন্নয়ন হয়েছে, আর্ন্তজাতিকভাবে এই বন্দর এখন সাফল্য পেয়েছে। এর অবদান শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেও বক্তৃতায় উল্লেখ করেন তিনি। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সামগ্রিক কার্যক্রম তুলে ধরেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মোজাম্মেল হক। মাংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে বন্দরের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়সহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ। পরে বন্দর ব্যবহারকারীদের উৎসাহ দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ‘সর্বোচ্চ পণ্য হ্যান্ডিংয়ে’র জন্য মেসার্স এ হক চৌধুরী এন্ড সন্স কোম্পানির মালিক মো. ওহিদুর রহমানকে সন্মানানা স্মারক প্রদান করেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি বেগম হাবিবুন নাহার। এছাড়া মোংলা বন্দরে আমদানি-রপ্তানী বানিজ্যে বিশেষ অবদানের জন্যও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সন্মানান স্মারক প্রদান করা হয়।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১