আপডেট : ১৭ March ২০২০
বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে ভুগছে উখিয়া টেকনাফে আশ্রিত ১২লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নাগরিক। দেশী বিদেশী এনজিও সংস্থার কর্মকর্তাদের অবাধ বিচরন ও রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে গোপনে আসা-যাওয়ার কারনে যেকোন মুহুর্ত্তে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা করছে রোহিঙ্গা নেতারা। তারা অবিলম্বে ক্যাম্প ভিত্তিক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ২০১৭ সালে ২৫শে আগস্টের পর উখিয়া টেকনাফের ৩২টি ক্যাম্পে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত প্রায় ১২লক্ষাধিক রোহিঙ্গা এদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে। সরকার মানবতার খাতিরে এসব রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে ঝুপড়িঘর তৈরি করে থাকার ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি চিকিৎসা, ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিলেও গাদাগাদি করে বসবাসরত রোহিঙ্গারা প্রায় সময় অপরিচ্ছন্নভাবে বসবাস করে আসছে। তারা তাদের ব্যবহৃত ময়লা ও আর্বজনাগুলো জমা করছে করছে খোলা মেলা ও বাড়ির আশে পাশে। এ নিয়ে উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের চেয়ারম্যান হাফেজ জালাল আহম্মদ জানান, সারা বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষ আতংকগ্রস্থ অবস্থায় দিন কাটাঁচ্ছে অথচ গাদাগাদি করে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উপরোন্ত এনজিও সংস্থার লোকজন বিদেশ থেকে এখনো পর্যন্ত পরিদর্শনের নামে অবাধ ক্যাম্পে আসা যাওয়া করছে। ওই ক্যাম্পের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুর জানান, রোহিঙ্গারা করোনা ভাইরাস সম্পর্কে অজ্ঞ, এমনকি করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রান পাওয়ার বিষয়টিও তারা জানে না। উপরোন্ত কিছু কিছু রোহিঙ্গা এখনও রাতে অথবা দিনে সুযোগ বুজে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার ও ক্যাম্পে আসা যাওয়া করছে। যেহেতু মিয়ানমারের সাথে চীনের সীমান্ত থাকায় মিয়ানমারও করোনা ভাইরাস ঝুকিতে। তাই ওই ভাইরাসে আক্রান্ত রোহিঙ্গাদের কারনেও ক্যাম্পে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরার আশংকা রয়েছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১