আপডেট : ২৩ March ২০২০
করোনা ভাইরাসে ক্ষুদ্র ব্যবসায় হঠাৎ ধ্বস নামলেও বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) ঋণের কিস্তির চাপ পিছু ছাড়ছে না। করোনার জন্য জনজীবনে বিপর্যয় নেমে আসলেও সাপ্তাহ শেষে কিস্তি দিতেই হবে। ফলে অনেকে হোম কোয়ারেন্টাইন মানতে পারছেন না। এতে আতঙ্ক নিয়েও কুলাউড়া উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আয়ের উদ্দেশ্যে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা বিভিন্ন এনজিও সংস্থার নিকট থেকে কিস্তি নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। গত এক সপ্তাহ পূর্ব পর্যন্ত তারা কিস্তি পরিশোধ করে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। গতকাল রোববার ২২ মার্চ থেকে রাত ৮টা থেকে ফার্মেসী আর খাবার হোটেল বাদে সব ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কুলাউড়ার স্টেশন চৌমুহনীর পানের দোকানদার মো. শরীফ, ফলের দোকানদার চান্দু মিয়া, কাপড়ের দোকানদার রবিউল হোসেন, পানের দোকানদার সুফিয়ান মিয়া, সিরামিক ব্যবসায়ী ফুল মিয়া, ইসমাইল, মোবাইলের সরঞ্জাম ব্যবসায়ী অনিক, রাজু, দৌলতসহ একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, মানুষের এখন কাজ নেই। মানুষকে ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই ক্রেতা না থাকায় পণ্য ক্রয় বিক্রয় করা যাচ্ছে না। আমরা টাকা দিবো কোথা থেকে। এনজিওরা কিস্তি আদায় করতে এসে দোকানের দরজায় দাড়িয়ে থাকে। তবে এতসব অযুহাত মানতে রাজি হচ্ছেন না এনজিও মাঠকর্মীরা। এরমধ্যে ব্র্যাক, আশা, গ্রামীণ, শক্তি, হীড বাংলাদেশ এনজিওগুলো তাদের ঋণ আদায় অব্যাহত রেখেছে। একজন মাঠকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমাদের এনজিও অফিস থেকে এখনো কোন নির্দেশনা আসেনি। আমাদের কাজ টাকা আদায় করা, আমরা সেটা করছি। নির্দেশনা আসলে বন্ধ করে দেবো। তবে এবষিয়ে এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের কুলাউড়া শাখার ঋণ কর্মকর্তা সুজিত পাল জানান, আমাদের কাছে কোন নির্দেশনা আসেনি। ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহিতার প্রতি আমাদের সহযোগিতা থাকবে।
করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ও ব্যবসায় চলা সবচেয়ে মন্দা সময়ে কুলাউড়া উপজেলায় এনজিও সংস্থার কর্মরতারা ওইসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে গিয়ে কিস্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন। এ অবস্থায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অসহায়ত্ব প্রকাশ করেও ছাড় পাচ্ছেন না।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১