বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১২ May ২০২০

করোনাযোদ্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রুবাইয়াত বিন করিমের ছুটে চলা

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রুবাইয়াত বিন করিম প্রতিনিধির পাঠানো ছবি


করোনা ভাইরাসে দাগনভূঞা উপজেলায় প্রথম এক নারী সংক্রমিত হয়েছিলেন। এরপর থেকে থেমে নেই করোনায় আক্রন্ত হওয়া। পর্যায়ক্রমে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তালিকায় যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নাম। 

এরই মধ্যে করোনা ছোবল দিয়েছে এক সরকারি কর্মকর্তা, নারী জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ কনস্টবলকে। ছড়াচ্ছে আতংক। বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যেতে মানা। দোকানপাট বন্ধ। বন্ধ হয়েছে দৈনিন্দন মানুষের আয়ের পথ। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা ও নানা নিষেধাজ্ঞায় স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের জীবন।

এমতাবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু করা হয়েছে ১০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট। করোনা আক্রান্ত চার ব্যক্তিকে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এরই মধ্যে এক সরকারি কর্মকর্তা সুস্থ্য হয়েছেন।

উপজেরা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুবাইয়াত বিন করিম ছুটে যাচ্ছেন করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি। ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের দ্বারে দ্বারে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরন্তর ছুটে যাচ্ছেন তিনি। সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষের মাঝে দিয়ে যাচ্ছেন প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরামর্শ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সথে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সংক্রমিত হয়ে যারা নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। তাদের স্বাস্থ্যের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন তিনি। নিজের কর্মস্থলেও আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় সুন্দর একটি পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন।

জানা যায়, করোনায় আক্রান্তদের নমুনা (স্যাম্পল) সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন চিকিৎসদের একটি দল। যারা ইতিমধ্যে জেলায় সর্বোচ্চ নমুনা সংগ্রহ করেছে। তারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছুটে যাচ্ছেন। কারোর শরীরে হাঁচি, কাশি ও জ্বর উপসর্গ দেখা দিলে নমুনা (শ্যাম্পল) সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে চট্রগ্রাম । যে সব এলাকা লকডাউন করা হচ্ছে, তাদেরকে হোমকোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। বাড়িতে বসেই যাতে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন তাই হাসপাতালে চালু করা হয়েছে হটলাইন ব্যবস্থা।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, মানুষকে ভালো রাখার জন্যই আমার এই প্রচেষ্ঠা। করোনা ভাইরাসে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন যে সব এলাকা লকডাউন করা হচ্ছে। তাদের হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে একজন সুস্থ্য হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি ভালো পরিবেশের মাধ্যমে উপজেলাবাসীকে সেবা দিতে। সেবা কেন্দ্রের পরিবেশ সুন্দর হলে চিকিৎসকদের মন-মানসিকতাও প্রফূল্ল থাকে। ভালো পরিবেশ পেলে রোগীরও মনবল বৃদ্ধি পায়।

 


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১