আপডেট : ২৮ August ২০২০
পটুয়াখালীর বাউফলে খাসজমি থেকে উচ্ছ্বেদ করা হয়েছে পাঁচ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান। একই সময় মালিকানা দাবিতে আদালতের রায় নিয়ে ব্যান্ড বাজিয়ে ওই জমিতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন অপর এক ব্যাবসায়ী। আজ শুক্রবার সকালে পৌর সদরের থানা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত জমি থেকে উচ্ছ্বেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন। জানা গেছে, সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযান পরিচালনা করে সরকারি খাস জমিতে নির্মাণাধীন ১টি ফলের দোকানসহ পাঁচ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে দেয়। এরপরেই মালিকানা দাবি করে ব্যান্ড বাজিয়ে ওই জমিতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন পৌর সদরের ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার সুলতান আহম্মেদ মুন্সির ছেলে আনোয়ার হোসেন নামে এক ওষুধ ব্যাবসায়ী। ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত (বাউফল মৌজার জেএল নম্বর- ৮৭, খতিয়ান নম্বর- ৪৭১, দাগ নম্বর- ১০৪০) উচ্ছ্বেদকৃত ওই জমির ১৮ শতাংশের মালিকানা দাবী করে ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই আদালতে এক বন্টকি মামলা দায়ের করেন তিনি। এরপর আদালত ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টম্বর বাদীকে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ প্রদান করলে ১ জানুয়ারি নাম জারির আবেদন করেন তিনি। ২৫ মার্চ তার পক্ষে চুড়ান্ত ডিগ্রি জারি করে আদালত। উচ্ছ্বেদের পরে আদালতের মনোনীত উকিল কমিশনের এ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন ও প্রসেসর সার্ভেয়ার ফোরকান হোসেন ওই জমির দখল বুঝিয়ে দেন তাকে। অপরদিকে পৌরসদরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে লিংকন কাাগজপত্র নিয়ে একই জমির মালিকানা দাবি করে মৌখিকভাবে সময়ের আবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে। এদিকে ওই ১নং খাস খতিয়ানের ৩৮ শতাংশ জমির বরাদ্ধকৃত ৮ শতকের ওপর ৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৮শ ৩৬ টাকা ৫৫ পয়সা ব্যয়ে চলমান রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের কাজ। সাইনবোর্ড ঝোলানোর সময় সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামসুল আলম উকিল কমিশনকে বাধা দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ও জমির ডিগ্রিধারী আনোয়ার হোসেন উকিল কমিশন নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেনের সামনে হাজির হয়ে আদালতের রায়ের কাগজপত্র দেখান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি মীমাংসায় উকিল কমিশনকে আদালতের কাছে সময় আবেদন করতে বলেন। এ ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেদখল ছিল। আদালতের নির্দেশে উকিল কমিশনের মাধ্যমে জায়গার দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে এবং সীমানা নির্ধারণ করে লাল পতাকা উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভবনের কোন জায়গা দখল করিনি।’ উকিল কমিশনের এ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘আমরা আদালতের রায়ের ভিত্তিতে ডিগ্রিধারীকে জমি বুঝিয়ে দিয়েছি। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বিষয়টি মিমাংসায় সময় নিতে বলেন।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণে কোন সমস্যা নেই। ডিগ্রিধারীকে আদালেেতর রায় অনুযায়ী ৱজমি বুঝিয়ে দেয়া হবে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১