বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ০৯ September ২০২০

আখাউড়া থেকে অপহৃত শিশু সোনাইমুড়িতে উদ্ধার


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে অপহৃত দেড় বছরের শিশু শিফাত মোল্লাকে অবশেষে ৩ দিনের মাথায় উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে। তবে মোখলেছ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির কাছে ওই শিশুকে দিয়ে অপহরণকারি মো. ফারুক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি। অপহরণকারিকে আটকের চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবার রাতে শিফাতকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। এরআগে শিশুকে বিকালে উদ্ধার করা হয়।

শিফাতের পরিবারের লোকজন জানান, গত রোববার আখাউড়ার পৌর শহরের দেবগ্রামের ভাড়া বাসা থেকে শিফাতকে নিয়ে পালিয়ে যায় একই বাড়ির ভাড়াটিয়া ফারুক ও তার স্ত্রী রূপা বেগম। বিষয়টি আখাউড়া থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। এরই মধ্যে রিফাতকে ছাড়তে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ফারুকের কথা মতো বিকাশের মাধ্যমে সোনাইমুড়ি এলাকার একটি দোকানে ওই টাকা পাঠানো হলে তিনি সেটি না নিয়ে কৌশলে সটকে পড়েন। সোনাইমুড়ি থানা পুলিশের সহযোগিতায় সেখানে যায় শিফাতের বাবা শিপন মোল্লা ও আরো একাধিক লোক। সঙ্গে যাওয়া পূর্ব পরিচিত মোখলেছকে পাঠালে রিফাতকে দিয়ে দিবে বলে জানায় ফারুক। বিকেলে কথামতো জায়গায় মোখলেছ গেলে শিশু রিফাতকে দিয়ে পালিয়ে যায় ফারুক।

রিফাতের মা লাকী বেগম ছেলে পাওয়ার খবর জেনে এক প্রতিক্রিয়ায় শিশুটিকে অপহরণ বিষয়ে খবর প্রকাশ করায় এ প্রতিবেদকের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমার পুতে মোবাইলে সবার লগে ‘কতা’ কইছে, ডাকছে। আসামীরে পাইলে পাক না পাইলে নাই আমি যে আমার পুলারে পাইছি এইডাই যতেস্ট। আপনার সবাই সহযোগিতা করছেন দেইক্কাঅই পুলারে আমি পাইছি।’

সোমবার দুপুরে শিফাতদের বাড়িতে গেলে বাড়ির মালিক খলিলুর রহমান জানান, ফারুক সাত-আট মাস যাবত এখানে ভাড়া থাকতো। সে প্রায়ই নেশা করতো তবে তওবা পড়িয়ে নামাজে নেয়া হয়। টাকার জন্যই সে ওই শিশুটিকে অপহরণ করেছে।

আখাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাসুদ আলম জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের খবর তারা পেয়েছেন। তবে কিভাবে উদ্ধার হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায় নি। অপহরণকারিকে গ্রেপ্তারে সেখানকার পুলিশ চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১