আপডেট : ২২ September ২০২০
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহাদাত হোসেন সিফাত নামে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৪ জন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আইসিইউতে তিনি মারা যান। ঢামেক হাসপাতালের আবাসিক সার্জন পার্থ শংকর পাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিফাতের শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তিনি জানান, এছাড়াও হাসপাতালে আরো দু’জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সিফাতের বাবা মো. সপন শেখ ডেকারেটরের কাজ করেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে সিফাত দ্বিতীয়। তিনি নারয়গঞ্জের তল্লায় পরিবারের সাথে থাকতেন। শাহাদাত হোসেন সিফাত (১৮) স্থানীয় স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে কলেজে ভর্তির চেষ্টা করছিলেন। মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত যারা মারা গেছেন, তারা হলেন- ইমাম আবদুল মালেক (৬০), মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন (৪৮) ও তার ছেলে জুনায়েদ (১৭), দুই ভাই জোবায়ের (১৮) ও সাব্বির (২১), কুদ্দুস ব্যাপারী (৭২), মোস্তফা কামাল (৩৪), রাশেদ (৩০), হুমায়ুন কবির (৭২), জামাল আবেদিন (৪০), ইব্রাহিম বিশ্বাস (৪৩), মো. রিফাত (১৮), মাইনুউদ্দিন (১২), ফতুল্লার জয়নাল (৩৮), নয়ন (২৭), নিজাম (৩৪), রাসেল (৩৪), কাঞ্চন হাওলাদার (৫০), শিশু জুবায়ের (৭), নাদিম (৪৫), বাহার উদ্দিন (৫৫), শামীম হাসান (৪৫) জুলহাস (৩৫), মোহাম্মদ আলী (৫৫), আবুল বাশার মোল্লা (৫১), মনির ফরাজি (৩০), ইমরান হোসেন (৩০), আবদুল হান্নান (৫০), আব্দুস ছাত্তার (৪০), শেখ ফরিদ (২১), নজরুল ইসলাম (৪০), আব্দুল আজিজ (৪০) মোঃ ফরিদ (৫০) ও শাহাদাত হোসেন সিফাত (১৮) ৪ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত মসজিদে এ বিস্ফোরণ হয়। মসজিদের নিচে গ্যাসের লাইনে অসংখ্য লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ধারণা করছে। এ ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিতাসের ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীরকে সাময়িক বরখাস্ত এবং পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা জামিনে আছেন।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১