আপডেট : ০৭ October ২০২০
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- উপজেলার পূর্ব একলাশপুর গ্রামের সোলেমানের ছেলে নূর হোসেন রাসেল (৩০) ও পোড়া মুন্সীর ছেলে মো. সোহাগ (২১)। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, রাসেল ও সোহাগের নাম মামলার এজাহারে নেই; তবে এর আগে গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ মামলায় মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হল। এছাড়া র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। নির্যাতনের শিকার নারীর বরাত দিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক আল-মাহমুদ ফয়জুল কবীর বলেন, নারীর অভিযোগ অনুযায়ী দেলোয়ার প্রায় সময় তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন এবং হুমকি-ধমকি দিতেন। বছরখানেক আগে দেলোয়ার ঘরে ঢুকে তাকে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। এরপর গেল রমজানের কিছুদিন আগে দেলোয়ার তার সহযোগী কালামের মাধ্যমে তাকে (ওই নারী) একটি নৌকায় ডেকে পাঠান। সেখানে দেলোয়ার ও কালাম দুজনই তাঁকে ধর্ষণ করতে চান। দেলোয়ার নৌকায় দ্বিতীয়বার তাকে ধর্ষণ করেন। উল্লেখ্য, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের বিবস্ত্র করে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করলে পুরো দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মামলার সন্দেহভাজন আসামি স্থানীয় দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ারকে অস্ত্রসহ এবং তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর এলাকার পুলিশ ফাঁড়ির গলি থেকে নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি বাদলকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১১ ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল। গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার একলাশপুর ইউনিয়নের খালপাড় এলাকায় ওই নারীকে বিবস্ত্র করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার, বাদল, কালাম ও আব্দুর রহিমসহ ৫ বখাটে তরুণ। ঘটনার ৩২ দিন পর গত ৪ অক্টোবর (রোববার) দুপুরে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল করা হয়।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১