আপডেট : ১০ October ২০২০
আসন্ন শারদীয় দূর্গোৎসবে পটুয়াখালীর বাউফলে প্রস্তুত হচ্ছে ৬৩টি পূজা মন্ডপ। পৌর সদর ও সদরের বাইরে এসব মন্ডপে চলছে প্রস্তুতি। তবে করোনার মতো উদ্ভোদ পরিস্থিতি আর আর্থিক দৈন্যতায় সনাতন ধর্মালম্বীদের সব থেকে বড় এ ধর্মীয় উৎসবে পূজা মন্ডপগুলোতে আলোকসজ্জাসহ আগের মতো সাজ-সাজ রব কিছুটা কমলেও প্রতিমা সাজাতে কাজ করে যাচ্ছে সুতার শিল্পীরা। বাণিজ্য বন্দর কালাইয়ার সার্বজনিন লক্ষ্মী-নারায়ন মন্দিরের সভাপতি কৃষ্ণ কর্মকার জানান, আগামি ২২ অক্টোবর থেকে অনুষ্ঠিত হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহত সার্বজনীন শারদীয় দূর্গোৎসব। সরকারি নির্দেশনা আর কেন্দ্রীয় পুজা উৎযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সামজিক দূরত্ব বজায় রেখেই এ বছর দূর্গোৎসব পালিত হবে। দেবির আগমনে ভক্তদের খুশি উল্লেখ করে তিনি আরো জানান, এই দূর্গোৎসব সার্বজনিন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণেই নিরপত্তা আর আর্থিক বিবেচনায় রেখে মন্ডপগুলোতে আলোকসজ্জা হচ্ছে না। আগে উপজেলাব্যাপি ৬৯টি মন্ডপে পূজা পালন হলেও এবার এই সংখ্যা কমে ৬৩ হয়েছে। বাদ যাওয়া মন্ডপগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে ঘট পূজা। গত রোববার রাতে উপজেলার মমিনপুর গ্রামে হরলাল হালদার বাড়ির সার্বজনীন পূজা মন্ডপে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের প্রতিমা ভাঙচুরকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং এতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে দূর্গোৎসবে কোন ধরণের প্রভাব পড়বে না উল্লেখ করে উপজেলার নওমালা এলাকার ডাক্তার রায় চরণ রায় বাড়ির পূজা মন্ডপের সভাপতি জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘প্রশাসনের লোকজন সর্বাত্মক নিরাপত্তা ও সহোযোগিতার আস্বাস দিয়েছেন। তবে পূজা পালনে সরকারি প্রণোদনা আরো বৃদ্ধি করা উচিত।’ উপজেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কালাইয়া বন্দরের মদন-মোহন জিউর আখরাবাড়ি মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাবু অতুল চন্দ্র পাল বলেন, ‘কেন্দ্রিয় পূজা উৎসব পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ি পূজা পালন হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে সবার নিরাপত্তায় প্রতিটি মন্ডপের গেটে হ্যান্ডস্যানিটাইজার রাখা হবে। নো-মাক্স নো-দর্শন। প্রতিমা দর্শনে ভক্তদের মাক্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মহিলা ভক্ত-দর্শনার্থীর জন্য পৃথক গেট ব্যাবহার করা হবে মন্ডপে।’ সার্বজনীন এই উৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তিন দিনের সরকারি ছুটির দাবি জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিবার সবার অংশগ্রহন ও সহোযোগিতায় দূর্গোৎসব পালিত হয়। প্রণোদনা হিসেবে প্রতি মন্দিরে ৫শ’ কেজি হারে চাল বিতরণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট দৈন্যতায় যা যথেস্ট নয়। অন্তত ১টন পরিমান চাল বিতরণ করা উচিৎ।’
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১