বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১৪ December ২০২০

পূর্বাচলেই হবে ২০২১ বাণিজ্য মেলা


২০২১ সাল থেকেই রাজধানীর পূর্বাচলে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা’ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য, আগামী ৩১ ডিসেম্বর চীনের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এক্সিবিশন কেন্দ্রটি হস্তান্তর করবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোকে (ইপিবি)। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতেই স্থায়ী এই বাণিজ্য মেলা কেন্দ্রের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্য মেলা স্থায়ী কেন্দ্র পূর্বাচলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বলে আসছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

ইপিবি সূত্রে জানা গেছে, পূর্বাচল উপশহর এলাকায় ২০ একর জমির ওপর বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার নামে স্থায়ী বাণিজ্য মেলা কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষে হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর চীনা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এটি হস্তান্তর করবে। সূত্রটি আরো জানায়, মূলত ব্যবসা-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে এ মেলার আয়োজন করা হলেও সব শ্রেণির মানুষের সমাগমে এটি পরিণত হয় মিলন মেলায়। এজন্য প্রতিবছর এই মেলার জন্য মুখিয়ে থাকেন সবাই। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জায়গার অপ্রতুলতায় অস্থায়ীভাবে মেলাটি সেখানে করা হতো। বৃহৎ পরিসরে স্থায়ী  ভেন্যুর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে বর্তমান সরকার পূর্বাচলে  নতুন এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এর ফলে স্থানীয় পণ্যের ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পটিটিভনেস’ বাড়ার পাশাপাশি উন্নত হবে বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠিনিক পরিবেশের। সেইসাথে দেশীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি জোরদার হবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

ইপিবি সূত্র বলছে, পূর্বাচলে স্থায়ীভাবে বাণিজ্য মেলা করার জন্য ৩৮ একর জমি চাওয়া হলে ২৬ একর জমি দেওয়া হয়েছে। বাকি ১২ একর জমিও শিগগিরই ইপিবিকে দেওয়া হবে। এরইমধ্যে, ২০ একর জমির ওপর এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণ কাজ শেষ।  এছাড়া, ৬ একর জমিতে ওয়্যার হাউজ, পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্থায়ী ফুড সেন্টার ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থাসহ প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ৭৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ৩ বছর মেয়াদ পার হয়ে যাওয়ার পরও এখনো অর্ধেকেরও বেশি কাজ বাকি রয়েছে। নতুন করে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হয়। ব্যয় বাড়ানো হয় ১৭০ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে নেওয়া এ উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সময় গিয়ে দাঁড়ায় ১২ বছরে। মোট অর্থায়নের মধ্যে চীনের অনুদান ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ এবং সরকারি তহবিলের ১৭০ কোটি ৩১ লাখ টাকা নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে ১৭০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ধরা হচ্ছে ১ হাজার ৩০৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১