বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ২৩ January ২০২১

কেরানীগঞ্জে গ্রীন ইউনির্ভাসিটির শিক্ষার্থী রিপন হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন


গ্রীন ইউনির্ভাসিটির গণমাধ্যম বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী রিপন আহম্মেদ এর পরিকল্পিত হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও হত্যা ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবি করেছেন ইউনির্ভাসিটির শিক্ষক -শিক্ষার্থী ও তার পরিবার ।

আজ সকাল সাড়ে ১১টায় কেরানীগঞ্জের বাস্তা ইউনিয়নের ভাওয়ারভিটি এলাকার ঢাকা মাওয়া মহা সড়কে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত রিপনের বৃদ্ধবাবা মোঃ ইদ্রিস আলী

ছোটভাই রায়হান,গ্রীন ইউনির্ভাসিটির সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন ড. অলিউর রহমান, গ্রীন ইউনির্ভাসিটির সাংবাদিকতা বিভাগের এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. আফজাল হোসেন খান,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ঝুনা চৌধুরী, গণমাধ্যম বিভাগের শিক্ষার্থী ও রিপনের সহপাঠী সাখাওয়াত হোসেন সুজনসহ এলাকাবাসী।

চলতি মাসের ১১ জানুয়ারি রাতে কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর করের গাওঁ সড়কে ময়লা স্তুপের উপরে থেকে রিপনে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ও এলাকাবাসী এসময় তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা মেলে। এই ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনার মামলা নেয় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ। কিন্তু নিহতের বাবা জানান তিনি হত্যা মামলা করতে চাইলে পুলিশ নেয়নি, এবং এটা পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করেন উপস্থিত বক্তরা। পরিবারের দাবী একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে বলে রিপনের লাশ পরে আছে ঐ এলাকায়। ফোন পেয়ে আমরা ৯৯৯ কলদেই পুলিশের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের করে। পরে এ হত্যা ঘটনাটি সড়ক দূর্ঘটনার মামলা নেয় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ। কিন্তু নিহতের বাবা জানান রিপন কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এটি হত্যাকান্ড,আমি মামলা করতে চাইলে পুলিশ আমার মামলা নেন নি। আর যদি গাড়িতে দূর্ঘটনা ঘটে এলাকার আশপাশে কেউ জানেন না। সেখানে তো দূর্ঘটনার ঘটে নি। লাশ পাওয়ার পরের দিন পুলিশ গাড়িটি হাজির করে। সে বিষয়টি পরিবারের নিকট গোজামিল হয়েছে।

ছোট ভাই রায়হানের দাবী আমার ভাইয়ের শরীরে মারধরের অনেক চিহ্ন ছিল হাতের নখ তুলে ফেলে,বাম পায়ের উরুতে ক্ষত চিহ্ন ছিল। পরনের প্যান্টের নিচে লাঠি পেটা ও ক্ষত চিহ্ন থাকলেও প্যান্টে কোন প্রকার ছেড়াফাটার নমুনা দেখিনি।

এতে সহজেই বোঝা যায় আমার বড় ভাইকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে এখানে ফেলে গাড়ি দূর্ঘটনার নাটক সাজিয়েছেন হত্যায় জড়িতরা।

এই হত্যার কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তার ইউনিভার্সিটির শিক্ষক, সহপাঠী ও নিহত রিপনের পরিবারের স্বজনরা। রিপন হত্যার সঠিক তদন্ত করে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি জানান এ মানববন্ধনে।

নিহত রিপনের মামলার বিষয়ে কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানার এস.আই রাজীব বলেন,আমরা সেদিন ঘটনাস্থল থেকে রিপনের মরদেহটি ঊদ্ধার করি। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে লাশ মর্গে পাঠাই। প্রাথমিক তদন্তে আমরা এটা সড়ক দূর্ঘটনা হিসাবে দেখছি। এ বিষয়ে যদি স্বজনদের কোন অভিযোগ থাকে,তাহলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১