বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ২৭ March ২০২১

মৃতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মৃতকে শাস্তি দেওয়া হয়


উমর (রা.) বললেন, ‘ওগো হাফসাহু তুমি কি শোননি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যার জন্য উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করা হয় তাকে শাস্তি দেওয়া হবে? তার প্রতি সুহায়ব (রা.)ও কাঁদতে থাকলে উমর (রা.) তাকেও বললেন, হে সুহায়ব! তুমি কি জান না যার জন্য চিৎকার করে কান্নাকাটি করা হয় তাকে আজাব দেওয়া হবে?’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং-২০৩৩)

অতঃপর ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, “আমরা একবার আমীরুল মুমিনীন উমর ইবনুল খাত্তাবের সাথে ছিলাম। যখন আমরা ‘বায়দা’ নামক স্থানে পৌঁছলাম, হঠাৎ জনৈক ব্যক্তিকে একটা গাছের ছায়ায় অবস্থানরত দেখলাম। উমর (রা.) আমাকে বললেন, এগিয়ে যাও তো গিয়ে দেখ আমাকে জানাও ওই ব্যক্তি কে? আমি গিয়ে দেখলাম তিনি সুহায়ব (রা.)। আমি ফিরে এসে বললাম, আপনি আমাকে আদেশ করেছেন, ওই ব্যক্তির পরিচয় জেনে আপনাকে জানাতে। তিনি হচ্ছেন, সুহায়ব (রা.)। পুনরায় তিনি আমাকে বললেন, তাকে আমাদের সাথে মিলিত হতে বল। আমি বললাম, তার সাথে তার পরিবারবর্গ রয়েছে। তিনি বললেন, তার সাথে পরিবারবর্গ থাকলে তাতে কি আছে। কখনো আইয়ুব বলেছেন, ‘তাকে বল’ সে যেন আমাদের নিকট আসে। এরপর যখন আমরা মদিনায় পৌঁছলাম, অল্প সময়ের মধ্যেই আমীরুল মুমিনীন উমর (রা.) আহত হলেন। সুহায়ব (রা.) তাকে দেখতে এসে দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন, আহ! ভাই উমর! আহ সঙ্গী উমর! উমর (রা.) শুনে বললেন, ‘সুহায়ব, তুমি কি অবহিত নও, অথবা শোননি?’ আইয়ুব বলেছেন, অথবা বলেছেন, ‘তুমি কি জান না, তুমি কি শোন নি?’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার-পরিজনের কান্নার দরুন শান্তি দেওয়া হয়। আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, তিনি এ কথাটা সাধারণভাবে বলে ছিলেন। কিন্তু উমর (রা.) ‘কোনো কোনো লোকের’ শব্দ উল্লেখ করেছেন।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং-২০৩৫)

শিক্ষা : মৃত ব্যক্তির জন্য আওয়াজ করে কান্নাকাটি করো না।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১