বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ০৬ September ২০২১

চরম ঝুঁকিতে উপকূলবাসী

চিহ্নিত ৭১০ কিলোমিটার এলাকা


বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিন দিন বাড়ছে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাও। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে উপকূলের কমপক্ষে ৭১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকার কয়েক লাখ মানুষ চরম ঝুঁকিতে পড়বে। এমন তথ্য উঠে এসেছে সরকারি এক জরিপে।

বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবে সারা বিশ্বের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে। দক্ষিণ গোলার্ধের অ্যান্টার্কটিকা ও উত্তর গোলার্ধের গ্রীনল্যান্ড, সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চলের সাগর, পাহাড়ের বরফ গলে পানিতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে পানির স্তরের উচ্চতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের সাগর ও নদ-নদীর পানিও বাড়ছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালিত ওই জরিপে বলা হয়, উন্নত বিশ্বের অতিমাত্রায় কার্বন নিঃসরণের কারণে বাড়ছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরসহ উপকূলের নদ-নদীর পানির স্তরের উচ্চতা প্রতি বছরই বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রতি বছর পানির স্তরের উচ্চতা বাড়ছে তিন সেন্টিমিটার। ফলে তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে সারা দেশ। এরই মধ্যে সাগর-নদীতে বিলীন হয়েছে বেশ কিছু গ্রাম। চলতি বছর নদীভাঙনে বাস্তুহারা হতে পারেন প্রায় ২৮ হাজার মানুষ। পাশাপাশি পানিতে লবণের মাত্রাও বাড়ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের কৃষি অর্থনীতিতে।

বিআইডাব্লিউটিয়ের জরিপ বলছে, টেকনাফের নাফ নদীর মোহনা থেকে সাতক্ষীরা জেলার সীমান্ত-নদী রায়মঙ্গল-কালিন্দী পর্যন্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ৭১০ কিলোমিটার। এর মধ্যে সুন্দরবন ১২৫ কিলোমিটার। সুন্দরবন ছাড়াও উপকূলের ২৭৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে নদীর মোহনা ও ছোট-বড় দ্বীপ। আর ৩১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আছে সমতল উপকূলীয় অঞ্চল। পুরো উপকূল অংশের মধ্যে বসবাসকারীরা রয়েছেন জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকিতে।

জরিপে বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের নদ-নদীর ৫৩টি স্থানে সারাক্ষণ জোয়ার-ভাটার পানির স্তরের উচ্চতা পরিমাপ করেছে বিআইডাব্লউটিএ। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দুই প্রান্তে অবস্থিত কক্সবাজার ও সুন্দরবন। মধ্যবর্তী এলাকায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত কুয়াকাটা সৈকত।

বিআইডব্লিউটিএর পানি পরিমাপের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৯ সালের ৭ জুলাই কক্সবাজার এলাকায় পানির স্তরের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ২৪ মিটার। একই বছরের ২ জুলাই খেপুপাড়ায় পানির উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ১১ মিটার। ওই বছরের ২ জুলাই সকাল ৬টায় সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টে পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল তিন দশমিক ৬৬ মিটার।

মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে কক্সবাজারে পানির স্তরের উচ্চতা বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৫ মিটার, খেপুপাড়ায় বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫৭ মিটার। তবে, সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টে পানির স্তরের উচ্চতা কমেছে শূন্য দশমিক এক মিটার। আর গত বছরের ২০ আগস্ট কক্সবাজারে পানির স্তরের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ৩৬ মিটার। খেপুপাড়ায় পানির স্তরের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ৪৬ মিটার। সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টে উচ্চতা ছিল তিন দশমিক ৫৬ মিটার।

কিন্তু চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল কক্সবাজারে পানির স্তরের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ৪৯ মিটার। গত ২৫ এপ্রিল খেপুপাড়ায় উচ্চতা ছিল দুই দশমিক ৬৮ মিটার। গত ২৫ জুন সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টে পানির স্তরের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল তিন দশমিক ৫৬ মিটার।

বিআইডাব্লউটিএর হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের (টাইড) যুগ্ম-পরিচালক মো. আলফাজ উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে রেকর্ড করা পানির স্তরের উচ্চতাই বলে দিচ্ছে বাংলাদেশের নদ-নদীর পানি কীভাবে বাড়ছে। পানির উচ্চতা বাড়ায় উপকূল ও নদ-নদীর তীরে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। তার মতে, উত্তর গোলার্ধের অ্যান্টার্কটিকা, সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চলের সাগর, পাহাড়ের বরফ গলে পানিতে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে পানির স্তরের উচ্চতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, বঙ্গোপসাগরের স্রোত ও পানির স্তরের উচ্চতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। বালু ক্ষয়ে সৈকতের বিশাল এলাকা এখন সাগরে পরিণত হয়েছে। এক যুগ আগেও কুয়াকাটা সৈকতে এমন ভাঙন ছিল না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এমনটি হচ্ছে বলে মনে করি।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) কুয়াকাটা নেটওয়ার্কিংয়ের সদস্য ও কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক খান এ রাজ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে গত এক দশকে অন্তত তিন কিলোমিটার সাগরতীর ভেঙে গেছে। কুয়াকাটার নান্দনিক নারিকেল, ঝাউ বাগানসহ পাঁচটি মৌজা বিলীন হয়েছে। মানচিত্র থেকে তিনটি গ্রাম হারিয়ে গেছে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে ক্ষণে ক্ষণে সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে প্রতি বছরই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডব বাড়ছে।

এদিকে উপকূলে রয়েছে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর। চলছে পায়রা বন্দরের নির্মাণকাজ। দেশের ২৫ শতাংশ মানুষ উপকূল অঞ্চলে বসবাস করে। জাতীয় অর্থনীতিতে জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশের অবদান এ অঞ্চলের। বর্তমানে উপকূলের প্রতি বর্গকিলোমিটারে গড়ে বসবাস করেন ৭৪৩ জন। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্যোগের আঘাতে উপকূলের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও সম্পদ বিপন্ন হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের ফানেল আকৃতির উপকূলে বাংলাদেশের অবস্থান। বৈশ্বিক আবহাওয়া বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশে গত ৫০ বছরে ১৫০টির বেশি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঘটনা ঘটেছে।

সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) সমীক্ষা অনুযায়ী, কক্সবাজার থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত বিশাল উপকূলীয় এলাকার অনেক গ্রাম সাগর-নদীতে ভেঙে মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। উপকূলের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ভাঙনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে। ১৯৭৩ সাল থেকে প্রায় পৌনে দুই হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। এতে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৭ লাখ ১৫ হাজার মানুষ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরে পানির স্তর বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুম শেষে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের পানি বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়ায় নদীর তীরে তীব্র ভাঙন দেখা দিচ্ছে। মেঘনার তাণ্ডবে চাঁদপুর, ভোলা, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর এবং সন্ধ্যা ও সুগন্ধা নদীর কারণে বরিশাল অঞ্চলে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এছাড়া বলেশ্বর ও পায়রার প্রবাহে বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বাগেরহাটে ভাঙন হচ্ছে। কচা, ভৈরব ও ময়ূর নদ ও রূপসা চ্যানেলের কারণে খুলনা, সাতক্ষীরায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। আর পাহাড়ি ঢল, কর্ণফুলী, সন্দ্বীপ চ্যানেলের তাণ্ডবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ চট্টগ্রাম বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পদ্মা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, কুশিয়ারার স্রোতে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ভাঙন হচ্ছে।

সিইজিআইএসের তথ্য বলছে, ২০২০ সালে প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা বিলীন হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ কয়েক দফা বন্যায় এ ক্ষতি হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ১৩ জেলা ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলাগুলো হলো-কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর ও মাদারীপুর।

এছাড়া পদ্মা ও যমুনার ভাঙনে প্রায় ২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা বিলীন হতে পারে। সেই সাথে পৌনে চার কিলোমিটার বেড়িবাঁধ, ২৪১ মিটার মহাসড়ক, সাড়ে তিন কিলোমিটার জেলা ও দেড় কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক নদীতে বিলীন হতে পারে। পাশাপাশি এসব এলাকায় অবস্থিত শত শত দোকানপাট, বসতবাড়ি, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার এমনকি হাসপাতালও রয়েছে হুমকির মুখে।

আন্তর্জাতিক পানি সম্পদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলেন, আমাদের দেশে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন থেকে ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে, সেটা ভেবে পরিকল্পনা করতে হবে। উপকূল রক্ষায় আরো উঁচু ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। লবণসহিষ্ণু ফসলের জাত আবিষ্কার করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে মূলত মে-জুন থেকে নদীভাঙন শুরু হয়ে অক্টোবর পর্যন্ত চলে। ২০০৪ সাল থেকে সিইজিআইএস ভাঙনের পূর্বাভাস দিচ্ছে। ২০২০ সালে স্যাটেলাইট চিত্র দেখে তৈরি সিইজিআইএসের ‘নদীভাঙন পূর্বাভাস- ২০২১’ এ বলা হয়েছে, এ বছর দেশের প্রধান দুই নদীর অববাহিকা ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মার ২০টি স্থান ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে।

সংস্থাটি বলছে, এবারের মৌসুমে ডিসেম্বর পর্যন্ত পদ্মা-গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পাড়ে ভাঙন চলতে পারে। এতে ৩৪২টি বসতবাড়ি, ৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ২৬টি মসজিদ-মন্দির, পাঁচটি হাটবাজার, দুটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। এসব এলাকার এক বর্গকিলোমিটারের মধ্যে প্রায় এক হাজার মানুষের বসবাস। সেই হিসাবে এ বছর নদীভাঙনের কারণে বাস্তুহারা হতে পারেন প্রায় ২৮ হাজার মানুষ।

ড. আইনুন নিশাত বলেন, আমাদের উপকূলে পানির স্তর বাড়ছে এটা প্রমাণিত। প্রতি বছর গড়ে তিন সেন্টিমিটার পানির স্তর বাড়ছে। সুন্দরবন অঞ্চলের চেয়ে কক্সবাজার এলাকায় পানি বেশি বাড়ছে। গত এক দশকে ২০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগও বাড়ছে। উপকূলের নদীতে লবণের মাত্রা বাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিকাজ। ফলে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত বিশ্বের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমেনি। আমাদের দেশে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন থেকে ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে, সেটা ভেবে পরিকল্পনা করতে হবে। উপকূল রক্ষায় আরও উঁচু ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। লবণসহিষ্ণু ফসলের জাত আবিষ্কার করতে হবে।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির (ডুয়েট) জলবায়ু পরিবর্তন ও স্থায়িত্ব কেন্দ্রীয় গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আকরামুল আলম ‌ বলেন, অতিমাত্রায় কার্বন নিঃসরণের কারণে তাপমাত্রা ও পানির স্তরের উচ্চতা বাড়ছে। উচ্চতা বাড়ার কারণে নদীতে ভাঙন হচ্ছে। পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণের কারণে উপকূলের মানুষ কৃষিজমিতে ফসলের চাষ বাদ দিয়ে এখন চিংড়ির ঘের করছে। মিঠা পানির প্রবাহে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করায় জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। সুপেয় পানির উৎস কমে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক প্রাণী সেটি সহ্য করতে না পেরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন অনুবিভাগ) মো. মিজানুল হক চৌধুরী বলেন, জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর মাধ্যমে আমরা বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। এছাড়া, আমরা মিউটেশন ও অ্যাডাপটেশন—দুভাবে কাজ করছি। কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমলে তাপমাত্রা কমে বরফগলা কমে যাবে। তখন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস কমে আসবে।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১