বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ২১ September ২০২১

ছেলেকে লুকিয়ে রেখে অপহরণ মামলা, ৯ বছর পর উদ্ধার


প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজের ছেলেকে লুকিয়ে রেখে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়েরের নয় বছর পর লুকিয়ে রাখা রাসেল মৃধাকে উদ্ধার করেছেন মামলার বিবাদীরা। সোমবার রাতে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে রাসেলকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার সকালে গৌরনদী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মিথ্যা অপহরণ মামলায় জেলখাটা বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাসুদেবপাড়া গ্রামের নোয়াব আলী মৃধার ছেলে এস রহমান মৃধা জানান, পার্শ্ববর্তী নলচিড়া ইউনিয়নের কলাবাড়িয়া গ্রামের জনৈক জালাল মৃধার সাথে তার (এস রহমান) পূর্ব বিরোধ রয়েছে। পূর্ব বিরোধের জেরধরে জালাল মৃধা তাকে (এস রহমান) এবং তার পক্ষের লোকজনকে ঘায়েল করতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মিথ্যে মামলা দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১২ সালের ৩ এপ্রিল মোকাম বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তাকে (এস রহমান মৃধা) এবং তার ছেলে আরমান মৃধা, রায়হান মৃধা, স্থানীয় শাহজাহান মল্লিক, শাহিন মল্লিক, আব্দুল হক ভূঁইয়াসহ ১৪ জনকে আসামী করে অপহরনের অভিযোগ করেন জালাল মৃধার স্ত্রী মোসাঃ মরিয়ম। অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে জালাল-মরিয়ম দম্পত্তির সপ্তম শ্রেনী পড়ুয়া পুত্র রাসেল মৃধাকে (১৪) মারধর করে অপহরণের অভিযোগ আনা হয়। আদালত এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানাকে মামলা নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

পরবর্তীতে এবিষয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি মামলা হয়। মামলাটি কয়েকজন তদন্তকারী কর্মকর্তার হাত ঘুরে সর্বশেষ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন গৌরনদীর সরিকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন এসআই মো. ফোরকান হাওলাদার। এস রহমান আরও জানান, মিথ্যে ওই মামলায় তাকে (এস রহমান) এবং তার পক্ষের লোকজনকে জেল খাটতে হয়েছে।

এস রহমান বলেন, দীর্ঘ নয় বছর পর সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) জানতে পারি, মামলার বাদী মরিয়মের ছেলে রাসেল ঢাকার রায়েরবাগ এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় সেখান থেকে (ঢাকা রায়েরবাগ) থেকে রাসেলকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার সকালে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে আর্থিক সুবিধা নিয়ে চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মামলার তৎকালিন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সরিকল তদন্ত কেন্দ্রের বর্তমান ইনচার্জ মোঃ ফোরকান হাওলাদার। এ বিষয়ে গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আঃ রব হাওলাদার জানান, রাসেল মৃধা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১