আপডেট : ৩০ September ২০২১
রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায় করা প্রত্যাবাসনের পক্ষে ভুমিকা রাখায় মুহিবুল্লাহকে হত্যা করেছে তারই স্বজাতি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এমনটাই ধারনা করছেন রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর আপন ভাই চাচাতো ভাই সহ অপারপর রোহিঙ্গারা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে থাকা রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহরা লাশ দেখতে আসা রোহিঙ্গারা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে রোহিঙ্গানেতা মুহিবুল্লাহ ভাই হাবিব উল্লাহ বলেন, আমার ভাই মায়ানমার থাকতেও মাস্টার হিসাবে সবার কাছে পরিচিত ছিল সে সব সময় রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায় নিয়ে কথা বলতো কাজ করতো। বাংলাদেশের টেকনাফের ক্যাম্পে থাকার পরও সে স্থানীয় এবং আর্ন্তজাতিক ভাবে ও সব সময় রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায় দাবী আদায় এবং রোহিঙ্গাদের ভালর জন্য কাজ করতো। আর সব সময় চাইতো প্রত্যাবাসন অর্থাৎ রোহিঙ্গা নিজ দেশে চলে যাক। সে জন্য আমার ভাইকে আরসার সন্ত্রাসীরা টার্গেট করেছে অনেক দিন থেকে। মুহিবুল্লাহ চাচাতো ভাই দিদার জানান, আর্ন্তজাতিক ভাবে এবং দেশের মধ্যে বড় বড় মন্ত্রীরা আসলে সব সময় আমার বড় ভাইকে আগে ডেকে নিত। তার সাথে কথা বলতো সেটা সন্ত্রাসীরা সহ্য করতে পারেনি। তাই আর্ন্তজাতিক চক্রান্তের অংশ হিসাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। যাতে আর কেউ প্রত্যাবাসনের কথা না বলে। এদিকে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গের সামনে সকাল থেকে মুহিবুল্লার লাশ এক নজর দেখতে ভীড় করে অসংখ্য নতুন পুরাতন রোহিঙ্গারা। কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গা থেকে রোহিঙ্গারা এসে জড়ো হয় মর্গের কাছে। এ সময় লিংক রোড় ইমাম মুসলিম সেন্টারের কয়েকজন মৌলবী এসে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, মুহিবুল্লাহ আমাদের খুব কাছে লোক ছিল,তাকে এভাবে হত্যা করবে সেটা কখনো কল্পনা করতে পারিনি। পরে অবশ্য তারা সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে আর কথা না বলে সরে পড়ে। উল্লেখ্য ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে কক্সবাজার কুতুপালং ক্যাম্পের ভেতরেই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১