বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ০৯ November ২০২১

১৭২ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক ২ জন!


ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) ১৭২ শয্যার হাসপাতালটিতে চিকিৎসক আছেন দুজন। জনবলের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে বন্দি রোগীদের চিকিৎসাসেবা। হাসপাতালটিতে একটি নতুন এক্সরে মেশিন পড়ে আছে এক বছর ধরে। টেকনিশিয়ান না থাকার কারণে সেটা চালু করা যাচ্ছে না। রোগীদের কিছু ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে; কিন্তু জনবল সংকটের কারণে বন্দি রোগীদের দ্রুত সেবা পেতে বিলম্ব হচ্ছে।

কারা চিকিৎসকরা বলছেন, কম করে হলেও হাসপাতালে ১০ জন চিকিৎসক দরকার। পাশাপাশি ৫ জন সেবিকা ও দুজন ল্যাব টেকনিশিয়ান প্রয়োজন। এ ছাড়া ফিজিওথেরাপি মেশিন ও ফিজিওথেরাপিস্ট কোনোটাই নেই। স্ট্রোকজনিত রোগের কারণে প্যারালাইসিস রোগী আছে। সেসব রোগীকে থেরাপি দিতে হয়। তা ছাড়া আলট্রাসাউন্ড মেশিনও নেই।

কারাগারের একটি সূত্র জানান, ১৭২ শয্যা চারতলা কারা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীর জন্য চিকিৎসক আছেন দুজন, নার্স দুজন ও ল্যাব টেকনিশিয়ান আছেন একজন। এ দুজন চিকিৎসক দিয়ে রোগীদের সেবা দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। সকালে বন্দি রোগীদের লাইন লেগে যায়।

এ ব্যাপারে কারা হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান শুভ বলেন, শুধু কাশিমপুর কারাগারে নারী বন্দি ছাড়া দেশের সব কারাগার থেকে ঢাকা কারাগারে বন্দি রোগীরা আসে চিকিৎসা নিতে। প্রথমে রোগীদের কারা হাসপাতালে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে নিয়মানুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য কারারক্ষীদের প্রহরায় তাদের ঢাকার সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু কারা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পাশাপাশি বাইরে জেলা কারাগার থেকে আগত রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এত রোগী অথচ দুজন চিকিৎসক ও দুজন নার্স দিয়ে চলেছে কারা হাসপাতাল!

তিনি বলেন, কারা হাসপাতালে ইসিজি মেশিন থাকলেও নতুন এক্সরে মেশিন এক বছর ধরে পড়ে আছে। টেকনিশিয়ান না থাকার কারণে সেটা চালু করা যাচ্ছে না। কম করে হলেও কারা হাসপাতালে ১০ জন চিকিৎসক দরকার। এ ছাড়া ৫ জন নার্স ও ল্যাব টেকনিশিয়ান দুজন হলে ভালো হয়। এ ছাড়া ফিজিওথেরাপি মেশিন ও ফিজিওথেরাপিস্ট কোনোটাই নেই। স্ট্রোকজনিত রোগের কারণে প্যারালাইসিস বন্দি রোগী আছেন। সেসব রোগীকে থেরাপি দিতে হয়। তবে রোগীদের জন্য কোনো ওষুধের সমস্যা নেই। সব ধরনের ওষুধ আমাদের কারা হাসপাতালে থেকে রোগীদের দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম আনিসুল হক বলেন, জনবল বাড়ানোর জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে টেকনিশিয়ানের অভাবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতলে নতুন এক্সরে মেশিন পড়ে থাকার বিষয়টি তিনি অবগত নন জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নেবেন।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১