আপডেট : ০১ April ২০২২
ঢাকা মানেই যানজট, সড়ক দুর্ঘটনা, মৃত্যু, দূষণ আর বিশৃঙ্খল এক শহর। তাই সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও যানজট নিরসনে কোনো প্রকল্পই সফল হচ্ছে না সরকারের। ঢাকার সড়ক ও পরিবহন খাতে এক দশকে ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রকল্প নিয়েছে সরকার। অথচ এখনো রাজধানীর সড়কগুলোতে যানবাহন চলছে ট্রাফিকের হাতের ইশারায়। স্বয়ংক্রিয় সব সিগন্যাল প্রায় অকার্যকর। নাজুক গণপরিবহন ব্যবস্থায় দুর্ভোগের অন্ত নেই নগরবাসীর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক সড়ক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়। রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর সব রকম চেষ্টা অকার্যকর প্রমাণিত হওয়ায়, এবার যানজট নিরসনে পাতাল রেল ও ভূগর্ভস্থ পরিবহন ব্যবস্থার (সাবওয়ে) দিকে মনোযোগ দিয়েছে সরকার। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিশাল ভূগর্ভস্থ নেটওয়ার্ক নির্মাণের পর ঢাকার যান চলাচলে শৃঙ্খলা আসবে বলে আশা করা যায়। সরকার ২০০৫ সালে ঢাকার জন্য ২০ বছরের কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা (এসটিপি) তৈরি করেছিল, যা ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু পরিকল্পনা অনুসারে অনেক কাজই হয়নি। এরপর ২০১৫ সালে সংশোধিত পরিবহন পরিকল্পনা (আরএসটিপি) তৈরি করা হয়, যার মেয়াদ ২০৩৫ সাল পর্যন্ত। ঢাকায় যত প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে ও হবে, এর সবই এই পরিকল্পনার আওতায় হওয়ার কথা। আরএসটিপিতে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল যানবাহন পরিচালনা নিশ্চিত করা এবং বাসসেবার উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা বাদ দিয়ে সরকার বিপুল ব্যয়ে উড়ালসড়কের মতো বড় প্রকল্পকে গুরুত্ব দিয়েছে। কিন্তু নগরবাসীর দুর্ভোগ তো কমেনি, বরং কয়েক বছর ধরে বৈশ্বিক সূচকে বসবাসের অনুপযোগী শহরের তালিকায় ঢাকা প্রথম দিকেই থাকছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার জরিপে ঢাকায় অপরাধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবার মতো সূচকগুলোর পাশাপাশি সড়ক ও গণপরিবহনের অবস্থাও নেতিবাচাক ভাবে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো দেশের মেগাসিটিতে মোট জায়াগার ২৫ ভাগ রাস্তা থাকা আবশ্যক। কিন্তু রাজধানী ঢাকায় রাস্তা আছে মোট ৮ শতাংশ। এই ৮ শতাংশ রাস্তার বিভিন্ন জায়গা সিটি করপোরেশন লিজ দিয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। যা যানজট সৃষ্টির পেছনে অন্যতম কারণ বলে মনে করেন তারা। রাজধানীর সড়কে মৃত্যুর অন্যতম কারণ একাধিক কোম্পানির বাসের বেপরোয়া চলাচল। এ বিষয়টি সরকারিভাবে আরএসটিপি প্রণয়নের সময় জাপানের আন্তর্জাতিক সংস্থা জাইকার গবেষণাতেও উঠে এসেছে। ২০১৫ সালে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে সর্বশেষ ওই গবেষণা বলছে, ঢাকায় দিনে ২ কোটি ৯০ লাখ যাতায়াত (ট্রিপ) হয়। একজন মানুষ কোনো যানে উঠে নির্দিষ্ট গন্তব্যে নেমে গেলে একটা ট্রিপ হিসেবে গণ্য করা হয়। মোট ট্রিপের সর্বোচ্চ ৪৭ শতাংশ হয় বাস-মিনিবাসে। আরএসটিপিতে বাসের বিশৃঙ্খলার পেছনে মালিকানার ধরন, পরিচালনা ও সড়ক ব্যবস্থায় ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়। এর জন্য বিক্ষিপ্তভাবে বাসের অনুমোদন না দিয়ে পরিকল্পিত ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হয়েছিল। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক এই ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকার বাস ছয়টি কোম্পানির অধীনে ছয়টি পথে চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। প্রতিটি কোম্পানির বাসের রং থাকবে আলাদা। বিদ্যমান পরিবহন মালিকেরা এই কোম্পানিগুলোতে অন্তর্ভুক্ত হবেন। বিনিয়োগের হার অনুসারে মালিকেরা লভ্যাংশ পাবেন। এটা করা হলে পথে বাসের চালকদের মধ্যে পাল্লাপাল্লি করার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু ২০১৭ সালে আনিসুল হকের মৃত্যুর পর প্রক্রিয়াটি থেমে যায়। প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ বিষয়ে তিনটি বৈঠক করা ছাড়া আর কিছুই হয়নি। বর্তমানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির দুই মেয়রও এ বিষয়ে আর এগোতে পারেনি। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড় ও যানজট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অধিকাংশ স্থানে কেবল কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই তৈরি হচ্ছে যানজট। যেসব এলাকার যানজট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়, এর মধ্যে রয়েছে-বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, কলাবাগান, শাহবাগ, আজিমপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মিরপুর, রামপুরা, বাড্ডা, পল্টন, গুলিস্তান, কাকরাইল, মহাখালী, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর। এসব এলাকা ঘুরে লেন ব্যবস্থা অকার্যকর থাকার ভিন্ন ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, যেসব গাড়ি সোজা যাওয়ার কথা সেগুলোও বাম লেন ধরে চলছে। গণপরিবহনের মধ্যে বাসগুলো এক্ষেত্রে বেশি বেপরোয়া। মোড়ের পর বাস্ট স্টপেজ থাকলেও তারা মোড়ের মুখেই যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে পেছনের গাড়িগুলো সামনে এগোতে পারছে না। ফলে সিগন্যাল ছাড়লেও থেমে থাকতে হচ্ছে পরিবহনগুলোকে। অনেক সময় মোড়ের মুখে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের ফলেও এমন হচ্ছে। সড়কগুলো পর্যবেক্ষণ করে আরো দেখা যায়, যেসব সড়কে রিকশা-ভ্যানসহ প্যাডেলচালিত পরিবহন চলছে, সেখানে লেন ব্যবস্থা আরো প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। মগবাজার-বাংলামোটর সড়কে দেখা যায়, প্যাডেলচালিত পরিবহনগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাম লেন দখল করে আছে। এর বাইরে যেসব এলাকায় তিন চাকার ইঞ্জিনবিহীন যানগুলো চলতে দেখা গেছে, সেখানে সড়কের গাড়ির গতিও থাকে কম। যানজট নিরসনে ঢাকায় বাস্তবায়নাধীন বেশিকিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে একটি রিভাইজড স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (আরএসটিপি) অনুমোদন করে সরকার। যাতে পাঁচটি পাতাল রেললাইন, দুটো দ্রুতগতির বাস রুট এবং এক হাজার ২০০ কিলোমিটার নতুন রাস্তা নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা বর্তমান সড়ক নেটওয়ার্কের দ্বিগুণ। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সড়ক নেটওয়ার্কের আওতায় ছয়টি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং তিনটি রিং রোড অন্তর্ভুক্ত আছে। আগামী ২০ বছরে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের মোট ব্যয় হবে প্রায় ৩ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা। ইতোমধ্যে আরএসটিপির অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে এসব চলমান প্রকল্প দেখে অনেক সময় গোলক ধাঁধায় পড়েছেন ঢাকাবাসী। এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে কেউ কেউ মনে করছেন, সবই বুঝি মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ। আসলে নানা রুটে নানা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে ঢাকায়। ঢাকা মাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি-৬) রুট বা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও, ফার্মগেট, শাহবাগ হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার উড়াল রুট সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হবে চলতি বছর ডিসেম্বরে। বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) রুট বাস্তবায়ন হলে, রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশন থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত ২০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার আসা-যাওয়া করতে সময় লাগবে মাত্র ২০ মিনিট। ‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট’ প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে কাজ চলমান রয়েছে। রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের সবচেয়ে বড় প্রকল্প ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের (উড়াল সড়ক) নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিপরীতে এয়ারপোর্ট রোডের কাওলা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত সংযোগ সড়কসহ ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এক্সপ্রেসওয়েটি। প্রকল্পের রুটগুলো হচ্ছে-শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী-ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক (কুতুবখালী)। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী যেতে সর্বোচ্চ সময় লাগবে ২০ মিনিট। এদিকে এতগুলো মেগাপ্রকল্প থাকার পরও রাজধানীর যানজট নিরসন নিয়ে এখনো শঙ্কিত সরকার। তাই মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি পাতাল রেল ও ভূগর্ভস্থ পরিবহন ব্যবস্থার (সাবওয়ে) দিকে মনোযোগ দিয়েছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেতু বিভাগের প্রস্তাবিত এই পাতাল রেল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে ৬৫ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় হবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) অনুমান, পাতাল রেল নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ২৭৫ মিলিয়ন ডলার (২ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা) ব্যয় হবে। পৃথকভাবে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ছয়টি মেট্রোরেল রুট তৈরি করতে প্রস্তুত এবং পাঁচটি রুটের একটি বড় অংশ মাটির নিচে থাকবে। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, তারা আশা করেন বিশাল ভূগর্ভস্থ নেটওয়ার্ক নির্মাণের পর ঢাকার যান চলাচলে শৃঙ্খলা আসবে। বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে ভূগর্ভস্থ নির্মাণের ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যদিও স্বীকার করেছেন একটি উপযুক্ত পাতাল রেল সড়কে যানজট কমাতে সাহায্য করবে। মাত্র এক কিলোমিটার সাবওয়ে নির্মাণের খরচ দিয়ে একটি মানসম্পন্ন বাস সার্ভিস নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জানান তারা। সমপ্রতি এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকার সড়ক যান চলাচলের ভয়াবহ অবস্থার সমালোচনা করে বলেন, শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে পাতাল রেল ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, সরকার বিদ্যমান পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির পরিবর্তে গতি বাড়াতে বড় বাজেটের প্রকল্পগুলোতে মনোযোগ দিচ্ছে। রাস্তার ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করা অপরিহার্য। কারণ অনেক দেশেই সাধারণ মানুষ শহরে পাবলিক বাস ব্যবহার করেন এমনকি তাদের পাতাল কিংবা মেট্রো রেল থাকার পরও। বুয়েটের পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক কাজী মো. সাইফুন নেওয়াজ বলেন, মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি সরকারের উচিত সড়ক ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতি করা, কারণ এটি সস্তা। বিবিএর প্রধান প্রকৌশলী ও ঢাকা সাবওয়ের প্রকল্প পরিচালক কাজী মুহাম্মদ ফেরদৌস বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) ঢাকা সাবওয়ের চারটি রুটের প্রাথমিক নকশা সম্পন্ন করেছে। বিবিএ ২০৭০ সালের মধ্যে ১১টি রুটসহ পুরো ঢাকা শহরকে একটি সম্পূর্ণ পাতাল রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে। বিবিএর তথ্যানুসারে, প্রাথমিক রুট চারটি হচ্ছে- গাবতলী থেকে রূপগঞ্জের ভোলাবো পর্যন্ত ৩০.৫১ কিলোমিটার সাবওয়ে লাইন, নারায়ণগঞ্জের ঝিলমিল থেকে টঙ্গী মোড় পর্যন্ত ২৯.৩৫ কিলোমিটার পথ, কেরানীগঞ্জ থেকে সোনাপুর পর্যন্ত ১৯.৫ কিলোমিটার পথ ও নারায়ণগঞ্জের ৪৫ কিলোমিটার এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৪৭.৫৪ কিলোমিটার পথ। প্রস্তাবিত অন্য সাতটি রুট হচ্ছে-কেরানীগঞ্জ থেকে পূর্বনন্দীপাড়া, বসুন্ধরা থেকে গাবতলী, হাজারীবাগ থেকে পূর্বাচল, শাহ কবির মাজার রোড থেকে সদরঘাট, তেঘরিয়া বাজার থেকে বন্দর, টঙ্গী মোড় থেকে গাজীপুর এবং গাবতলী থেকে আমবাগান। মেট্রোরেলের বাস্তবায়নকারী সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) তথ্য অনুসারে, ঢাকায় ২০৩০ সালের মধ্যে মোট ১২৯.৯১ কিলোমিটার মেট্রোরেল লাইন নির্মাণ করা হবে, যার মধ্যে ৬৮.৬২ কিলোমিটার সড়কের ওপরে এবং ৬১.১৭ কিলোমিটার মাটির নিচে থাকবে। সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, এমআরটি লাইন ওয়ান দুটি রুট নিয়ে গঠিত, বিমানবন্দর লাইন এবং পূর্বাচল লাইন। বিমানবন্দর লাইনটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনকে সংযুক্ত করবে এবং পূর্বাচল লাইন ঢাকার কেন্দ্রস্থলকে পূর্বাচল নিউ টাউনের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এমআরটি লাইন ফাইভ শহরের পশ্চিম থেকে পূর্বে পরিবহন সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১