আপডেট : ২১ April ২০২২
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আকাশে মেঘ দেখলেই চলে যায় বিদ্যুৎ। সরবরাহ নিয়ে এমনিতেই গ্রাহকদের অভিযোগের শেষ নেই। এইবার রমজানের শুরুতেই ভোগান্তি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রাহকরা। তাদের অভিযোগ, আকাশে মেঘ দেখলেই ঝড়-বৃষ্টি বা সামান্য বাতাসের অজুহাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ। গ্রাহকরা জানান, বুধবার ভোর রাত থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন তারা। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ দিলেও এসব দেখার যেন কেউ নেই। তরা আরো জানান, বুধবার ভোরে বৃষ্টির সঙ্গে সামান্য বাতাস হয়। এজন্য ডালপালা কাটা, লাইন সংস্কারসহ নানা অজুহাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টার লাইন বন্ধ রাখা হয়। তবে পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু থাকলেও তা ছিল লুকোচুরি খেলার মতো। এর কারণ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারিতাকে দায়ী করছেন তারা। গ্রাহক শাহাদত হোসেন বলেন, অসহনীয় গরমে রমজানের প্রথম দিন থেকেই মাগরিব ও তারাবি নামাজের সময়ে বিদ্যুৎ চলে যায়। এছাড়াও সেহরীর সময়ও বিদ্যুৎ থাকে না। রোজার আগে কিন্তু এটতোটা বিভ্রাট হয়নি। প্রতি বছরই রমজান মাস এলেই এমনচিত্র দেখা যায় ভূঞাপুরে। শিক্ষার্থীরা জানান, সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় জরুরি ফটোকপি করতে পারেন না তারা। সামান্য বাতাস বা বৃষ্টি হলে নানা অজুহাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। গোবিন্দাসী বাজারের দোকানি প্রাহক বাবু জানান, আকাশে মেঘ আর হালকা বৃষ্টি হলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। অফিসে ফোন দিলেই বলে লাইন ফল্ট, ডাল পড়ছে লাইনে। এ বিষয়ে ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ভোরে ঝড়-বৃষ্টির কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সংস্কার করা হচ্ছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১