আপডেট : ৩০ April ২০২২
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীতে এসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বিশ্বের বুকে মধ্যম আয়ের প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছে। আজ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টর শূন্য রেখায় তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রী ভারত-বাংলাদেশ এর মধ্যে তথ্য প্রযুক্তি সহায়তা নিয়ে দু’পাক্ষিক আলোচনা করতে দিল্লি ও আগরতলা সফর করেন। সেখানে তিনি ভারতের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করেন। এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় যে বৈঠক গুলো হয়েছে বিশেষ করে ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ এ রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরে মন্ত্রীদের সাথে খুব আন্তরিকতার সাথে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এইবারই প্রথম আমরা ভারতের আগরতলায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিজনেস আইটি সামিট করলাম। এই বিজনেস আইটি সামিট দেখেছি যে আগরতলায় অনেক প্রয়োজন আছে। আমাদের আইটি ব্যবসায়িকরা যেন সেখানে ব্যবসা করার সুযোগটি তৈরি করতে পারে। সেইখানে যেভাবে প্রাণ-আরএফএল তাদের পণ্যগুলো এনেছে ও তারা যে ভাবে ত্রিপুরাতে তাদের ফ্যাক্টরি স্থাপন করেছে। আমি মনে করি সেই ভাবে ওয়ালটন সহ যারা ইলেক্ট্রনিক্স উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা যেন সেই ভাবে ব্যবসা করতে পারে। এবং বাংলাদেশ থেকে ইতিমধ্যে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান গুলো যারা রয়েছে তাদের কে আমি সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলাম। আগরতলায় বিজনেস আইটি সামিটে প্রায় ১০০ জনেরও বেশি ভারত-বাংলাদেশ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিল।তাদের সাথে কথা বলেছি তাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এই সফরের মধ্যে দিয়ে আমি মনে করি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ইলেক্ট্রনিক্স,ডিজিটাল ডিভাইস, সফটওয়ার রপ্তানি, ই কর্মাস ও বিপিও সেক্টরের নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ইতিমধ্যে আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে সারা বাংলাদেশে ৪৩টি হাইটেক পার্ক ও ৬৪ টি আইডি ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত করছি। তার সাথে আনন্দের সাথে জানাচ্ছি এই ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যায়ে একটি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হবে। এর আগে মন্ত্রী আগরতলা থেকে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের শূন্য রেখায় এসে পৌছলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রহুল আমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী ও যুবলীগ যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মমিন বাবুল ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সাইফুল ইসলাম, কসবা-আখাউড়া সার্কেল এএসপি মোঃ কামরুল ইসলাম, আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ইমিগ্রেশন ইনচার্জ আবু বক্কর সিদ্দিক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন বেগ শাপলু প্রমুখ।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১